অন্ডালের খনি এলাকায় ভয়াবহ ‘ধস’, বাড়িতে ফাটল, আতঙ্ক
দুর্গাপুর, ২৮ জুলাই (হি. স.): ফের খনি এলাকায় ধসের ঘটনা। একের পর এক বাড়িতে দেখা দিল ফাটল। কোথাও বসে গেল মাটি, কোথাও বাড়ির দেওয়াল তলিয়ে গেল। আতঙ্কে প্রাণ বাঁচাতে ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হলেন বাসিন্দারা। মঙ্গলবার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র আত
অন্ডালের খনি এলাকায় ভয়াবহ ‘ধস’, বাড়িতে ফাটল, আতঙ্ক


দুর্গাপুর, ২৮ জুলাই (হি. স.): ফের খনি এলাকায় ধসের ঘটনা। একের পর এক বাড়িতে দেখা দিল ফাটল। কোথাও বসে গেল মাটি, কোথাও বাড়ির দেওয়াল তলিয়ে গেল। আতঙ্কে প্রাণ বাঁচাতে ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হলেন বাসিন্দারা। মঙ্গলবার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র আতঙ্ক ছড়ায় অন্ডালের নীলকণ্ঠ খনি এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে আচমকাই নীলকণ্ঠ এলাকায় মাটি বসতে শুরু করে। মধ্যাহ্নভোজের পর অনেকেই যখন বাড়িতে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন, সেই সময় আচমকা ধস নামে। মুহূর্তের মধ্যে এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়ির দেওয়াল মাটির নিচে তলিয়ে যেতে শুরু করে। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। প্রাণ বাঁচাতে বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। একাধিক বাড়িতে বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। কয়েকটি বাড়ির দেওয়াল ভেঙে পড়েছে। চোখের সামনে বাড়ির অংশ মাটির নিচে তলিয়ে যেতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, কয়েকশো পরিবার বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। ঘটনার খবর পেয়ে অন্ডালের নীলকণ্ঠ এলাকায় পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পাশাপাশি প্রশাসনের আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। পৌঁছয় ইসিএল কর্তৃপক্ষও।

ইসিএলের প্রাথমিক অনুমান, ভূগর্ভস্থ খনির ধসের কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। ইতিমধ্যেই বিপজ্জনক এলাকা চিহ্নিত করে ঘিরে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা কাজলী বাগদী বলেন, “দুপুরে বাড়ির উঠোনে বসেছিলাম। আচমকা একের পর এক দেওয়াল ভেঙে মাটির নিচে ঢুকে যাচ্ছিল। কোনও রকমে প্রাণ বাঁচিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছি।”

অন্ডালের এসিপি দীপকুমার দাস বলেন, “ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। এলাকাবাসীকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।”

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান রানিগঞ্জের বিধায়ক পার্থ ঘোষ। তিনি জানান, প্রায় ৬০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের আপাতত ইসিএলের কোয়ার্টারে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে গাফিলতি কার, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের বিষয়টিও দেখার জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন জানান বিধায়ক।

হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা




 

 rajesh pande