মণিপুরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে হত এক ভিলেজ গার্ড, আহত তিন
- গুলি চালনার পর তালাশি অভিযানে উত্তেজনা, নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের অভিযোগ, প্রতিবাদে বন্ধের ডাক ইমফল, ২৯ জুলাই (হি.স.) : মণিপুরের ননে জেলার অন্তর্গত বিতিয়াং গ্রামের নাগা ভিলেজ গার্ড প্রশিক্ষণ শিবিরে গুলি চালনার পর নিরাপত্তা বাহিনীর
মণিপুরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান


- গুলি চালনার পর তালাশি অভিযানে উত্তেজনা, নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের অভিযোগ, প্রতিবাদে বন্ধের ডাক

ইমফল, ২৯ জুলাই (হি.স.) : মণিপুরের ননে জেলার অন্তর্গত বিতিয়াং গ্রামের নাগা ভিলেজ গার্ড প্রশিক্ষণ শিবিরে গুলি চালনার পর নিরাপত্তা বাহিনীর তালাশি অভিযানে এক ভিলেজ গার্ড নিহত এবং আরও তিনজন আহত হয়েছেন। একই ঘটনায় কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী (সিআরপিএফ)-র কোব্রা ইউনিটের দুই জওয়ানও আহত হয়েছেন বলে এক সূত্রের খবর। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করে চিরুনি তালাশি অভিযান চলছে।

সূত্রের দাবি, আজ বুধবার সকালে বিতিয়াং এলাকায় তিন শতাধিক কোব্ৰা জওয়ান অভিযানে অংশ নেন। সে সময়ই প্রশিক্ষণ শিবিরে গুলির ঘটনা ঘটে। তবে কী পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় শুরু হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এছাড়া এই খবর লেখা পর্যন্ত সংঘটিত ঘটনায় সিআরপিএফ, মণিপুর পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।

জানা গেছে, আহত তিন ভিলেজ গার্ডকে ননে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে আহত দুই কোব্ৰা জওয়ানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ইমফলে নিয়ে আসা হয়েছে।

ঘটনার পর লংমাই এলাকার একাধিক গ্রামের মহিলা ও যুবক-যুবতীরা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্ৰদৰ্শন শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ, নিরাপত্তা বাহিনী ভিলেজ গার্ডদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে। এক স্বেচ্ছাসেবকের মৃত্যুর কারণ এবং অন্যদের আহত হওয়ার ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও জানান তাঁরা।

ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে একাধিক নাগা সংগঠন। সংগঠনগুলির অভিযোগ, কুকি জঙ্গিদের হামলা থেকে নিজেদের গ্রাম রক্ষায় নিয়োজিত সাধারণ নাগরিকদেরই নিরাপত্তা বাহিনী নিশানা করছে।

ফুথিল নাগা কো-অর্ডিনেশন কমিটির আহ্বায়ক এন আখিউ বলেন, কাংপোকপি জেলায় কুকি গোষ্ঠীর হাতে অপহরণ ও হত্যার শিকার ছয় নাগা ব্যক্তির ঘটনায় এখনও বিচার মেলেনি। তাঁর দাবি, বিতিয়াং গ্রামের ভিলেজ গার্ডরা নিজেদের সম্প্রদায়কে রক্ষা করছিলেন, তাঁদের জঙ্গি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।

এদিকে ইনপুই, লিয়াংমেই, রংমেই এবং জেমে সম্প্রদায়ের জয়েন্ট ট্রাইব কাউন্সিল, মণিপুর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি বন্ধের ডাক দিয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত এই বন্ধ অব্যাহত থাকবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande