জম্পুইজলায় বেহাল সড়ক, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী, দ্রুত সংস্কার দাবি
জম্পুইজলা (ত্রিপুরা), ২৯ জুলাই (হি.স.) : জম্পুইজলা ব্লকের গুলিরাইবাড়ি ভিলেজ এলাকার প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, প্রায় দুই বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের কোনও ধরনের স
বেহাল অবস্থা রাস্তার


জম্পুইজলা (ত্রিপুরা), ২৯ জুলাই (হি.স.) : জম্পুইজলা ব্লকের গুলিরাইবাড়ি ভিলেজ এলাকার প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, প্রায় দুই বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের কোনও ধরনের সংস্কার বা মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো জলে ভরে যাওয়ায় রাস্তার প্রকৃত অবস্থা বোঝা যায় না। এর ফলে মোটরসাইকেল, অটো, ছোট গাড়ি এবং অন্যান্য যানবাহন দুর্ঘটনার কবলে পড়ার আশঙ্কা বেড়েছে। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এই সড়ক ব্যবহার করে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের পড়ুয়া, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী এবং রোগীদের হাসপাতালে যেতে হয়। কিন্তু রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। জরুরি রোগী নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ।

যানবাহন চালকদের দাবি, খারাপ রাস্তার কারণে যানবাহনের যন্ত্রাংশ দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে অতিরিক্ত মেরামত খরচ বহন করতে হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে চলাচল করতে হওয়ায় চালকদের মধ্যে উদ্বেগও বাড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দফতর ও জনপ্রতিনিধিদের বিষয়টি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে একই অবস্থায় রাস্তা পড়ে থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

এলাকাবাসী ও যানবাহন চালকরা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট দফতরের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাঁদের দাবি, দ্রুত সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলে জনদুর্ভোগ কমবে, দুর্ঘটনার ঝুঁকি হ্রাস পাবে এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে। বর্তমানে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন গুলিরাইবাড়ি ভিলেজের বাসিন্দারা।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande