কাঁকসায় খাস জমি রেকর্ডের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে, তদন্তে ভূমি দফতর
দুর্গাপুর, ২৯ জুলাই (হি.স.): সরকারি খাস জমি ব্যক্তিগত নামে রেকর্ড করিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের এক প্রাক্তন যুব সভাপতির বিরুদ্ধে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে বিজেপি। ঘটনাটি পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসা ব্লকের মলানদিঘী গ্রাম পঞ্চা
কাঁকসায় খাস জমি রেকর্ডের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে, তদন্তে ভূমি দফতর


দুর্গাপুর, ২৯ জুলাই (হি.স.): সরকারি খাস জমি ব্যক্তিগত নামে রেকর্ড করিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের এক প্রাক্তন যুব সভাপতির বিরুদ্ধে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে বিজেপি। ঘটনাটি পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসা ব্লকের মলানদিঘী গ্রাম পঞ্চায়েতের নতুনপল্লী এলাকার। বুধবার স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সরজমিনে তদন্তে নেমেছে ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতর।

অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন যুব সভাপতি অনন্তরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় নতুনপল্লী শ্মশান সংলগ্ন বেশ কিছু খাস জমি নিজের নামে রেকর্ড করিয়ে নিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনার চেষ্টা করা হলেও বিগত সরকারের আমলে কোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তবে সম্প্রতি রাজ্য রাজনীতিতে প্রশাসনিক পরিবর্তনের পর বিষয়টি নিয়ে পুনরায় ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতরের কাছে অভিযোগ জানানো হলে সক্রিয় হয় দফতর। বুধবার সকালেই আধিকারিকরা সংশ্লিষ্ট এলাকায় পৌঁছে জমির রেকর্ড, খতিয়ান, দাগ নম্বর ও বর্তমান অবস্থান খতিয়ে দেখেন।

বিষয়টি নিয়ে দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় প্রশাসনের নিরপেক্ষ পদক্ষেপের দাবি জানান। তিনি বলেন, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে এরকম বহু খাস জমি তৃণমূল নেতারা নিজেদের নামে রেকর্ড করেছে। এমনকী গরিব আদিবাসীদের পাট্টা জমিও ভুল বুঝিয়ে নিজেদের নামে করিয়ে নিয়েছে। প্রশাসন সব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করবে।

অন্যদিকে, যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই তৃণমূল নেতা অনন্তরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, যে জমি নিয়ে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেটি আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি। আমার ঠাকুমার নামে থাকা জমিই আইন মেনে আমার নামে রেকর্ড করা হয়েছে। রাজনৈতিক চক্রান্ত ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে এই ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হচ্ছে। প্রশাসন নিরপেক্ষ তদন্ত করলেই আসল সত্য সামনে চলে আসবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা




 

 rajesh pande