গাছ কাটতে গিয়ে ডোবায় পড়ে দিনমজুরের মর্মান্তিক মৃত্যু, শোকে দক্ষিণ চন্দ্রপুর
আগরতলা, ২৯ জুলাই (হি.স.) : গাছ কাটার কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত ডোবায় পড়ে দিনমজুরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম আব্দুল মজিদ মিয়া (৫৫)। বুধবার এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে আগরতলায় ধলেশ্বর ১৬ নম্বর রোড এলাকার একটি বাড়িতে। ঘটনায় এলাকাজুড়ে শ
মৃতদেহ উদ্ধার


আগরতলা, ২৯ জুলাই (হি.স.) : গাছ কাটার কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত ডোবায় পড়ে দিনমজুরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম আব্দুল মজিদ মিয়া (৫৫)। বুধবার এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে আগরতলায় ধলেশ্বর ১৬ নম্বর রোড এলাকার একটি বাড়িতে। ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জানা গেছে, দক্ষিণ চন্দ্রপুর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মজিদ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে গাছ কাটা ও দিনমজুরের কাজ করে পরিবারের ভরণপোষণ করতেন। এদিন তিনি ধলেশ্বর ১৬ নম্বর রোড এলাকার বাসিন্দা জয়ন্ত ভট্টাচার্যের বাড়িতে একটি বড় গাছ কাটার কাজ করছিলেন। কাজ চলাকালীন গাছের ওপর থেকে একটি ডাল কাটতে গিয়ে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। ডাল ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি পাশের একটি ডোবায় পড়ে যান এবং গুরুতরভাবে আহত হন।

ঘটনার খবর পেয়ে মহারাজগঞ্জ বাজার ফায়ার স্টেশনের দমকল বাহিনীর কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালান। গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুল মজিদ মিয়াকে উদ্ধার করে দ্রুত জিবিপি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আব্দুল মজিদ মিয়াকে হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। তাঁর মুখ ও নাকে আঘাতের স্পষ্ট চিহ্ন পাওয়া গেছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জিবিপি হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে মৃতের পরিবারের সদস্যরা জিবিপি হাসপাতালে ছুটে আসেন। প্রিয়জনের মৃত্যুর খবর শুনে তাঁরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরিবারের জনৈক নিকটাত্মীয় জানান, সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় আব্দুল মজিদ মিয়া বলেছিলেন, কাজ শেষ করে বাজার করে বাড়ি ফিরবেন। কিন্তু সেই ফেরা আর হলো না। কর্মস্থল থেকেই তাঁর নিথর দেহ হাসপাতালে পৌঁছায়।

এই আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় দক্ষিণ চন্দ্রপুর এলাকায় গভীর শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আব্দুল মজিদ মিয়া অত্যন্ত পরিশ্রমী ও সৎ মানুষ ছিলেন। তাঁর অকাল মৃত্যুতে পরিবার যেমন অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে, তেমনি এলাকাবাসীও একজন পরিচিত ও পরিশ্রমী মানুষকে হারিয়েছেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande