আদালতের নির্দেশে গভীর রাতে মুক্তি ১৭ বিক্ষোভকারীর, নিরাপত্তা জোরদার সিওয়ানে
সিওয়ান, ৩০ জুলাই (হি.স.): বিহার বনধ চলাকালীন সংঘর্ষ ও পাথর ছোড়ার ঘটনায় বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকা ১৭ জন বিক্ষোভকারীকে আদালতের নির্দেশে বুধবার গভীর রাতে মণ্ডল কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার জেল সূত্রে জানা গিয়েছে, আদালতের নির্দেশ পৌঁছ
আদালতের নির্দেশে গভীর রাতে মুক্তি ১৭ বিক্ষোভকারীর, নিরাপত্তা জোরদার সিওয়ানে


সিওয়ান, ৩০ জুলাই (হি.স.): বিহার বনধ চলাকালীন সংঘর্ষ ও পাথর ছোড়ার ঘটনায় বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকা ১৭ জন বিক্ষোভকারীকে আদালতের নির্দেশে বুধবার গভীর রাতে মণ্ডল কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জেল সূত্রে জানা গিয়েছে, আদালতের নির্দেশ পৌঁছনোর পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে একে একে সকলকে মুক্তি দেওয়া হয়। খবর ছড়িয়ে পড়তেই কারাগারের বাইরে ভিড় জমান তাঁদের পরিবার-পরিজন ও সমর্থকেরা। মুক্তি পাওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আবেগঘন পুনর্মিলনের দৃশ্য দেখা যায়। অনেকেই ফুলের মালা পরিয়ে তাঁদের স্বাগত জানান।

নিরাপত্তার স্বার্থে কারাগারের বাইরে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। তবে গোটা প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয় এবং কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর মেলেনি।

উল্লেখ্য, ২৫ জুলাই বিহার বন্ধ চলাকালীন সিওয়ানের জেপি চক ও গান্ধী ময়দান এলাকায় বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, পাথর ছোড়া এবং পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এরপর একাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয় এবং বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার করে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলায় অভিযুক্ত অন্যান্যদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।

শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এখনও জেপি চক, গান্ধী ময়দান, হাসপাতাল মোড়, বাবুনিয়া মোড়, স্টেশন রোড, কচহরি মোড়-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও পরীক্ষা করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার কাজও চলছে।

যদিও বর্তমানে সিওয়ানের জনজীবন অনেকটাই স্বাভাবিক। বাজার, যান চলাচল এবং সরকারি-বেসরকারি দফতরের কাজকর্ম স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে। জেলা প্রশাসন সাধারণ মানুষকে শান্তি বজায় রাখা, গুজবে কান না দেওয়া এবং কোনও সন্দেহজনক ঘটনার খবর দ্রুত পুলিশকে জানানোর আবেদন জানিয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande