মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত : বলেরো চালকের তৎপরতায় রক্ষা পেলেন অন্তঃসত্ত্বা মহিলা ও অনাগত সন্তান সহ তিনজন
হাফলং (অসম), ৩০ জুলাই (হি.স.) : মানবিকতার এক অনন্য নজির স্থাপন করলেন জনৈক বলেরোর চালক। তাঁর সময়োপযোগী উপস্থিতি ও দ্রুত উদ্যোগে একটি অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনার পর অন্তঃসত্ত্বা মহিলা, তাঁর অনাগত সন্তান সহ তিনজনের প্রাণ রক্ষা পেয়েছে। জানা গেছে, বড় লা
অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় আহত অন্তঃসত্ত্বা মহিলা


হাফলং (অসম), ৩০ জুলাই (হি.স.) : মানবিকতার এক অনন্য নজির স্থাপন করলেন জনৈক বলেরোর চালক। তাঁর সময়োপযোগী উপস্থিতি ও দ্রুত উদ্যোগে একটি অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনার পর অন্তঃসত্ত্বা মহিলা, তাঁর অনাগত সন্তান সহ তিনজনের প্রাণ রক্ষা পেয়েছে।

জানা গেছে, বড় লাংফাং গ্রামের বাসিন্দা দারসিং ফাংচু তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে লঙ্কু এলাকার এলঅ্যান্ডটি কোম্পানির একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে নির্ধারিত আল্ট্রাসোনোগ্রাফি পরীক্ষার জন্য হাফলং সিভিল হাসপাতালে আসছিলেন। যাত্রাপথে হাফলং থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে গুরুবাড়ি এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। দুর্ঘটনায় গাড়ির যাত্রীরা আহত হন। এমন সংকটময় মুহূর্তে অকুস্থল দিয়ে যাওয়ার সময় এক বলেরোর চালক দুর্ঘটনাটি দেখে সঙ্গে সঙ্গে নিজের গাড়ি থামিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে তিনি আহতদের দ্রুত নিজের গাড়িতে তুলে হাফলং সিভিল হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এখানে তাঁদের জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অন্তঃসত্ত্বা মহিলার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল, তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। তাঁর গর্ভস্থ সন্তানও সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তবে দারসিং ফাংচুর বাঁ হাত ভেঙে গেছে, তিনিও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

অজ্ঞাতপরিচয় ওই বলেরো চালকের মানবিকতা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নিঃস্বার্থ সহায়তা জেলাজুড়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। স্থানীয়রা বলেছেন, তাঁর সময়োপযোগী উদ্যোগ না থাকলে দুর্ঘটনাটি আরও ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারত। মানবতার এই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সকলের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব




 

 rajesh pande