
আগরতলা, ৩০ জুলাই (হি.স.) : ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত ২০২৬ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের 'বছর বাঁচাও' পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দুই পরীক্ষাতেই উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে পাশের হার। 'বছর বাঁচাও' পরীক্ষার মাধ্যমে আরও বহু পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হওয়ায় মাধ্যমিকে পাশের হার বেড়ে হয়েছে ৮৪.৭৩ শতাংশ এবং উচ্চমাধ্যমিকে ৮০.৬৫ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনে ফলাফল ঘোষণা করে ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সচিব রাজীব ভট্টাচার্য জানান, 'বছর বাঁচাও' পরীক্ষার আগে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট ২৭ হাজার ৯৪ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিল। 'বছর বাঁচাও' পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর আরও শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হওয়ায় মোট কৃতকার্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৩৩১ জন। এর ফলে মাধ্যমিক পরীক্ষার সামগ্রিক পাশের হার বৃদ্ধি পেয়ে ৮৪.৭৩ শতাংশ হয়েছে।
উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রসঙ্গে তিনি জানান, চলতি বছরে মোট ২৬ হাজার ৫০৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। মূল ফলাফলে উত্তীর্ণ হয় ২১ হাজার ২৪ জন। পরবর্তীতে 'বছর বাঁচাও' পরীক্ষায় আরও ৩৫০ জন পরীক্ষার্থী সফল হওয়ায় মোট উত্তীর্ণের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২১ হাজার ৩৫৪ জন। ফলে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সামগ্রিক পাশের হার বেড়ে ৮০.৬৫ শতাংশে পৌঁছেছে।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি ড. ধনঞ্জয় গণ চৌধুরী বলেন, 'বছর বাঁচাও' পরীক্ষার ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ হয়েছে। তিনি জানান, এ বছর মাধ্যমিকে ২৯২টি বিদ্যালয়ে শতভাগ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। অন্যদিকে উচ্চমাধ্যমিকে ৬৬টি বিদ্যালয় শতভাগ পাশের সাফল্য অর্জন করেছে।
পর্ষদের দাবি, 'বছর বাঁচাও' পরীক্ষা অনেক শিক্ষার্থীর শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করেছে এবং পরীক্ষার্থীদের সামনে উচ্চশিক্ষার পথ আরও সুগম করেছে। 'বছর বাঁচাও' পরীক্ষার মাধ্যমে অতিরিক্ত সংখ্যক পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হওয়ায় রাজ্যের সামগ্রিক শিক্ষার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ