চার দফা দাবিতে সরব ছাত্র সংগঠন এনএসইউআই, আগরতলায় বিক্ষোভ মিছিল
আগরতলা, ৩০ জুলাই (হি.স.) : দিল্লির যন্তর মন্তর প্রাঙ্গনে আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ ও নির্যাতনের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ক্ষমা প্রার্থনার দাবিসহ চার দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার
আগরতলায় মিছিল


আগরতলা, ৩০ জুলাই (হি.স.) : দিল্লির যন্তর মন্তর প্রাঙ্গনে আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ ও নির্যাতনের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ক্ষমা প্রার্থনার দাবিসহ চার দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার আগরতলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল সংগঠিত করল ছাত্র সংগঠন এনএসইউআই।

বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিক্রমা করে। মিছিল চলাকালীন কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন এনএসইউআই-এর নবনিযুক্ত রাজ্য সভাপতি আমির হোসেন। বিপুল সংখ্যক ছাত্র-যুব কর্মী এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেন।

বিক্ষোভ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আমির হোসেন অভিযোগ করেন, দিল্লির যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীদের উপর পুলিশ অযৌক্তিক বলপ্রয়োগ করেছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশেই এই দমনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দেশের ছাত্রসমাজের প্রতি এই আচরণের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।

এনএসইউআই-এর পক্ষ থেকে চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে— যন্তর মন্তরে ছাত্র-ছাত্রীদের উপর লাঠিচার্জের নির্দেশদানকারী ও বলপ্রয়োগে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যাকারী পরীক্ষার্থী বা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান, পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) অবিলম্বে বাতিল করে নতুন ও নিরপেক্ষ পরীক্ষা পরিচালনা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

এদিনের বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন এলাকায় কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে প্রভাব পড়লেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। পুলিশ পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখে এবং শান্তিপূর্ণভাবেই কর্মসূচি শেষ হয়। এনএসইউআই নেতৃত্ব জানিয়েছে, তাঁদের দাবিগুলি দ্রুত বাস্তবায়িত না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর গণআন্দোলনের পথে হাঁটবে সংগঠন।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande