
কলকাতা, ৩১ জুলাই (হি. স.) :
বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত পাচারের অভিযোগ ঘিরে তদন্ত চলাকালীন আরও কড়া পদক্ষেপ করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। শুক্রবার সরকারের তরফে জারি হওয়া এক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে যে, আপাতত রাজ্য জুড়ে ১১টি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ককে স্বেচ্ছায় আয়োজিত রক্তদান শিবির থেকে রক্ত সংগ্রহের অনুমতি দেওয়া হবে না। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে স্বাস্থ্য দফতর স্পষ্ট করেছে।
নিষিদ্ধ ওই তালিকায় রয়েছে শহর কলকাতার অশোক ব্লাড ব্যাঙ্ক, লাইফ কেয়ার এবং ওম ব্লাড সেন্টারের মতো প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও হাওড়া, কৃষ্ণনগর, রায়গঞ্জ এবং পূর্ব বর্ধমানের একাধিক বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কের নামও রয়েছে সেখানে। তবে সংশ্লিষ্ট ব্লাড ব্যাঙ্কগুলি নিজেদের কেন্দ্র থেকে রক্ত সংগ্রহ করতে পারবে বলে নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এর পাশাপাশি, কোনও ব্লাড ব্যাঙ্ক যদি রাজ্যের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রক্ত পাঠায়, তা হলে সেই সংক্রান্ত তথ্য স্বাস্থ্য ভবনকে জানানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের মতে, রক্ত সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় যাতে কোনও ধরনের প্রভাব না পড়ে, সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।
বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত পাচারের অভিযোগ ঘিরে তদন্ত চলাকালীন আরও কড়া পদক্ষেপ করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। শুক্রবার সরকারের তরফেও জারি হওয়া এক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে যে, আপাতত রাজ্য জুড়ে ১১টি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ককে স্বেচ্ছায় আয়োজিত রক্তদান শিবির থেকে রক্ত সংগ্রহের অনুমতি দেওয়া হবে না। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে স্বাস্থ্য দফতর স্পষ্ট করেছে।
নিষিদ্ধ ওই তালিকায় রয়েছে - শহর কলকাতার অশোক ব্লাড ব্যাঙ্ক, লাইফ কেয়ার এবং ওম ব্লাড সেন্টারের মতো প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও হাওড়া, কৃষ্ণনগর, রায়গঞ্জ এবং পূর্ব বর্ধমানের একাধিক বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কের নামও রয়েছে ওই তালিকায়। তবে সংশ্লিষ্ট ব্লাড ব্যাঙ্কগুলি নিজেদের কেন্দ্র থেকে রক্ত সংগ্রহ করতে পারবে বলে নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এর পাশাপাশি, কোনও ব্লাড ব্যাঙ্ক যদি রাজ্যের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রক্ত পাঠায়, তা হলে সেই সংক্রান্ত তথ্য স্বাস্থ্য ভবনকে জানানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের মতে, রক্ত সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং তদন্তে কোনও ধরনের প্রভাব পড়তে না দেওয়ার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।
হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত