গতরাতের ভারী বৃষ্টিতে ফের ধস, পিছোলো হারাঙ্গাজাও রেলপথ মেরামতির কাজ
হাফলং (অসম), ১ আগস্ট (হি.স.) : টানা বর্ষণের জেরে শুক্রবার গভীর রাতে আবারও ধস নামল নিউ হারাঙ্গাজাও স্টেশন সংলগ্ন রেলপথে। ফলে ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত ১ নম্বর ও ২ নম্বর লাইনের মেরামতির কাজ আরও জটিল হয়ে পড়েছে। উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলের পক্ষ থেকে যুদ্ধকালী
আপাতত স্থগিত হারাঙ্গাজাও রেলপথ মেরামতির কাজ


হাফলং (অসম), ১ আগস্ট (হি.স.) : টানা বর্ষণের জেরে শুক্রবার গভীর রাতে আবারও ধস নামল নিউ হারাঙ্গাজাও স্টেশন সংলগ্ন রেলপথে। ফলে ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত ১ নম্বর ও ২ নম্বর লাইনের মেরামতির কাজ আরও জটিল হয়ে পড়েছে। উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলের পক্ষ থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মাটি ভরাট করে রেলপথ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চললেও রাতভর বৃষ্টিতে নতুন করে মাটি ধসে পড়ায় মেরামতির কাজ পিছিয়ে যায়।

নিউ হারাঙ্গাজাও স্টেশনের ১ নম্বর ও ২ নম্বর লাইনের রেল ট্র্যাকের নীচের বিস্তীর্ণ অংশে কয়েকদিন আগে ভারী বর্ষণের কারণে মাটি ধসে পড়ে। এর পর থেকে রেল কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত অংশে বিপুল পরিমাণ মাটি, পাথর ও অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী ফেলে ট্র্যাককে পুনরায় নিরাপদ করে তোলার কাজ শুরু করে। প্রকৌশলী, প্রযুক্তিবিদ ও শ্রমিকদের নিয়ে দিনরাত এক করে কাজ চলছিল। কিন্তু শুক্রবার রাতের প্রবল বর্ষণে নতুন করে ধস নামায় ভরাট করা মাটির একটি বড় অংশ আবার ধসে যায়। ফলে এতদিনের অগ্রগতির অনেকটাই নষ্ট হয়ে যাওয়ায় নতুন করে কাজ শুরু করতে হচ্ছে।

রেল সূত্রে জানা গেছে, পাহাড়ি এলাকার প্রতিকূল আবহাওয়া ও অব্যাহত বৃষ্টিপাত মেরামতির কাজে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাটি বারবার সরে যাওয়ায় স্থায়ীভাবে রেলপথ পুনর্গঠন করতে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে না এলে কাজ শেষ করতে আরও সময় লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে, ধসের জেরে গত প্রায় দশ দিন ধরে লামডিং-বদরপুর পাহাড় লাইনে ট্রেন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। একাধিক যাত্রীবাহী ট্রেন বাতিল ও আংশিকভাবে চলাচল করছে, আবার কয়েকটি ট্রেনের সময়সূচিও পরিবর্তন করা হয়েছে। এর ফলে হাজার হাজার যাত্রী চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন। বিশেষ করে জরুরি কাজে যাতায়াতকারী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী এবং ব্যবসায়ীরা ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আবহাওয়ার পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সম্পূর্ণ মেরামত করে রেল চলাচল স্বাভাবিক করার সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। তবে পাহাড়ি এলাকায় অব্যাহত ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকলে কাজ শেষ হতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে।

হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব




 

 rajesh pande