ইস্কনকে সম্মান করি, বললেন কুণাল ঘোষ; ডিম নিয়েও দিলেন প্রতিক্রিয়া
কলকাতা, ১ আগস্ট (হি.স.): ইস্কনকে তিনি সম্মান করেন বলে জানালেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুণাল ঘোষ। শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, মিড-ডে মিল প্রকল্পে ইস্কনের ভূমিকার বিষয়ে বলি, আমরা অবশ্যই ইস্কনকে সম্মান করি। সংস্থাটি নিয়ে কোনও সমস্যা
কুণাল ঘোষ


কলকাতা, ১ আগস্ট (হি.স.): ইস্কনকে তিনি সম্মান করেন বলে জানালেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুণাল ঘোষ। শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, মিড-ডে মিল প্রকল্পে ইস্কনের ভূমিকার বিষয়ে বলি, আমরা অবশ্যই ইস্কনকে সম্মান করি। সংস্থাটি নিয়ে কোনও সমস্যা ছিল না। মূল সমস্যাটি ছিল শিশুদের মিড-ডে মিলের তালিকা থেকে ডিম বাদ দেওয়া। ডিম পুষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস এবং শিশুদের কাছে এর বিশেষ আকর্ষণও রয়েছে; অনেক সময় যেসব শিশু অন্য খাবার খেতে চায় না, তারাও ডিমের প্রতি আকৃষ্ট হয়। আমাদের বক্তব্য ছিল, ইস্কন একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং আমরা তাদের সম্মান করি ঠিকই, কিন্তু মিড-ডে মিল কর্মসূচি তাদের হাতে তুলে দিলে মেনু পুরোপুরি নিরামিষ হয়ে যাবে এবং শিশুরা ডিম থেকে বঞ্চিত হবে। মিড-ডে মিলের মেনুতে ডিম থাকা উচিত। শুরুতে সরকার এতে অসন্তুষ্ট ছিল এবং বিজেপি নেতারা ডিমের বিকল্প হিসেবে নিরামিষ খাবারের প্রস্তাব দিচ্ছিলেন। কিন্তু যারা নিরামিষ খাবার পছন্দ করেন তারা তা খেতেই পারেন, তবে যারা আমিষ খাবার খান, তাদের খাদ্যতালিকা থেকে ডিম কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারও নেই। আমরা এই বিষয়টি তুলে ধরেছিলাম। শেষ পর্যন্ত সরকার আমাদের অনুরোধ ও দাবি মেনে নেয় এবং ঘোষণা করে, ইস্কনের বাইরে বা তাদের থেকে আলাদাভাবে ডিম সরবরাহ করা হবে।

২০২৭ সালের জনগণনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের দল পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। আমরা জোর দিয়ে বলছি, একজন প্রকৃত ভারতীয়কেও যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার হতে না হয়। তাই এই প্রক্রিয়ার সময় যাতে কোনও প্রকৃত ভারতীয়কে হয়রানির মুখে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সন্দেহভাজন জঙ্গি গ্রেফতারের বিষয়ে কুণাল বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অবশ্যই সুনিশ্চিত হতে হবে, তবে আমাদের সেনা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার কথাও ভাবতে হবে। যাকে ধরা হয়েছে, সে কীভাবে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাতায়াত করল? কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তখন কী করছিল? আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ বা সীমান্ত নিরাপত্তা এক বিষয়, কিন্তু অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার কী হবে? যদি এভাবে ঘুরে বেড়ায়, আশ্রয় বা সুরক্ষা পায় কিংবা সাধারণ নাগরিক সেজে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকে, তবে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর উচিত এ বিষয়ে নজরদারি চালানো।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande