শ্ৰীভূমির রামকৃষ্ণনগরে গৃহবধূর রহস্যমৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ
এফআইআর দায়ের, তদন্তে পুলিশ, পলাতক অভিযুক্ত ফরিদ উদ্দিন রামকৃষ্ণনগর (অসম), ১ আগস্ট (হি.স.) : শ্রীভূমি জেলার অন্তর্গত রামকৃষ্ণনগর থানাধান ডলুরবন্দ গ্রামে জনৈক গৃহবধূর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প
ঘটনাস্থলে পুলিশের দল


এফআইআর দায়ের, তদন্তে পুলিশ, পলাতক অভিযুক্ত ফরিদ উদ্দিন

রামকৃষ্ণনগর (অসম), ১ আগস্ট (হি.স.) : শ্রীভূমি জেলার অন্তর্গত রামকৃষ্ণনগর থানাধান ডলুরবন্দ গ্রামে জনৈক গৃহবধূর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রথমে ঘটনাটিকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু বলে জানা গেলেও, মৃতার পরিবারের অভিযোগ এটি দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে তাঁরা রামকৃষ্ণনগর থানায় একটি এফআইআর দায়ের করেছেন।

পুলিশে দায়েরকৃত এজাহারে লেখা হয়েছে, মৃতার নাম শাবিনা ইয়াসমিন। তাঁর স্বামীর নাম ফরিদ উদ্দিন। তাঁদের বাড়ি রামকৃষ্ণনগর বিধানসভা কেন্দ্রের ডলুরবন্দ গ্রামে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক অশান্তি চলছিল। গতকাল শুক্রবার রাতে সেই বিবাদের জেরে ফের দুজনের মধ্যে তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। অভিযোগ, এক পর্যায়ে স্বামী ফরিদ উদ্দিন ইচ্ছাকৃতভাবে শাবিনা ইয়াসমিনের শরীরে বৈদ্যুতিক তার সংযোগ করে দেন। এতে তিনি গুরুতরভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন।

আহতের আর্তনাদ শুনে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে অভিযুক্ত স্বামী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা মিলে শাবিনা ইয়াসমিনকে চিকিৎসার জন্য রামকৃষ্ণনগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে, মৃতার পরিবারের অভিযোগ, স্ত্রীর মৃত্যুর খবর জানার পর হাসপাতাল চত্বরেই তিন সন্তান ও স্ত্রীর মরদেহ ফেলে অভিযুক্ত ফরিদ উদ্দিন পালিয়ে যায়। এর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পুলিশকে জানালে রামকৃষ্ণনগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শ্রীভূমি সিভিল হাসপাতালে পাঠায়। আজ শনিবার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর পুলিশ মৃতদেহ পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দিয়েছে।

ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অভিযুক্ত স্বামী ফরিদ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / মনোজিৎ দাস




 

 rajesh pande