গোঘাটে হাসপাতাল তৈরিতে কয়েক কোটি টাকার জমি দান, নজির গড়ল ঘোষ ও মণ্ডল পরিবার
আরামবাগ , ১০আগস্ট (হি.স.) : এলাকায় স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিকাঠামো গড়ে তুলতে মানবিকতার নজির গড়লেন গোঘাটের বদনগঞ্জ এলাকার ঘোষ পরিবার ও মণ্ডল পরিবার। হাসপাতাল নির্মাণের জন্য সরকারের হাতে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জমি দান করলেন দুই পরিবার। সোমবার গোঘাটে
হসপিটালের জন্য জমি দান করলেন গোঘাটে দুই পরিবার


আরামবাগ , ১০আগস্ট (হি.স.) : এলাকায় স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিকাঠামো গড়ে তুলতে মানবিকতার নজির গড়লেন গোঘাটের বদনগঞ্জ এলাকার ঘোষ পরিবার ও মণ্ডল পরিবার। হাসপাতাল নির্মাণের জন্য সরকারের হাতে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জমি দান করলেন দুই পরিবার। সোমবার গোঘাটের বিধায়ক প্রশান্ত অধিকারী এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জমি হস্তান্তর করা হয়।

জানা গিয়েছে, হাসপাতাল নির্মাণের উদ্দেশ্যে এই জমি রাজ্যপালের নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। রাজ্যপালের প্রতিনিধি হিসেবে জমিটি গ্রহণ করেন গোঘাট ব্লক স্বাস্থ্য অধিকর্তা। জমি হস্তান্তর পর্ব শেষে জমিদাতাদের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দিয়ে তাঁদের সম্মান জানান গোঘাটের বিধায়ক প্রশান্ত দিগার এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা।

জমিদাতা পরিবারের সদস্যরা জানান, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবার কাজে নিজেদের জমি দান করতে পেরে তাঁরা গর্বিত। তাঁদের কথায়, “জীব সেবাই শিব সেবা।” মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই সুযোগকে তাঁরা নিজেদের সামাজিক দায়িত্ব হিসেবেই দেখছেন।

অন্যদিকে, জমিদাতাদের এই উদ্যোগের জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান বিধায়ক প্রশান্ত দিগার। তিনি বলেন, প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে এমন মানুষের উপস্থিতি সত্যিই গর্বের বিষয়। সমাজ থেকে মানবিকতা এখনও হারিয়ে যায়নি—এই জমি দানের ঘটনা তারই প্রমাণ।

বিধায়ক আরও জানান, বর্তমানে হাসপাতালটি ১০ শয্যার হলেও আগামী অর্থবর্ষের মধ্যেই সেটিকে ৩০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর ফলে গোঘাটের প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ মানুষ আরও উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

হাসপাতাল নির্মাণের জন্য কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জমি স্বেচ্ছায় দান করার ঘটনায় ঘোষ ও মণ্ডল পরিবারের এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছে। স্থানীয়দের মতে, স্বাস্থ্য পরিষেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে এই ধরনের উদ্যোগ আগামী দিনে অন্যদেরও সমাজের জন্য এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande