সীমানা টেনে লোকসংখ্যা নির্ধারণ করে নতুন মানচিত্র বানাচ্ছি না, দাবি মুখ্যমন্ত্রীর
কলকাতা, ১২ আগস্ট (হি.স.): ”আমরা কোনও বাউন্ডারি টেনে লোকসংখ্যা নির্ধারণ করে নতুন মানচিত্র বানাচ্ছি না। এটার নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। সেই কাজটা করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।” বুধবার বিধানসভায় এই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই সঙ্গে তাঁর স্প
শুভেন্দু অধিকারী


কলকাতা, ১২ আগস্ট (হি.স.): ”আমরা কোনও বাউন্ডারি টেনে লোকসংখ্যা নির্ধারণ করে নতুন মানচিত্র বানাচ্ছি না। এটার নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। সেই কাজটা করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।” বুধবার বিধানসভায় এই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই সঙ্গে তাঁর স্পষ্ট জবাব, এর পরেও অভিযোগ এবং দাবি জানানোর সুযোগ জনগনের থাকবে।

ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস কীসের ভিত্তিতে? তা নিয়ে এ দিন অধিবেশনে প্রশ্ন তোলেন প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এমনকী পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসে সংখ্যালঘুদের স্বার্থহানি হবে কিনা, তা নিয়েও শুরু হয়েছে চর্চা। তার প্রেক্ষিতেই মুখ্যমন্ত্রী ওই জবাব দেন। এরপরেও অভিযোগ এবং দাবি জানানোর সুযোগ জনগনের থাকবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

চলতি বছরে শেষেই রাজ্যে হতে পারে পুরনির্বাচন। এই নির্বাচনের আগেই কলকাতা এবং হাওড়ায় ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস চায় রাজ্য সরকার। আর সেই লক্ষ্যেই হাওড়া এবং কলকাতা পুরসভা সংক্রান্ত দু’টি পৃথক সংশোধনী বিল পাশ হয়েছে বিধানসভায়।

ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস নিয়ে প্রশ্ন না তুললেও কীসের ভিত্তিতে হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ফিরহাদ। তিনি বলেন, ”আমি নীতিগত ভাবে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের বিরোধিতা করছি না। কিন্তু ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কীসের নীতিতে হচ্ছে?” পুরো বিষয়টি আমলাদের হাতে ছেড়ে না দিয়ে, ইঞ্জিনিয়ারদের হাতে না ছেড়ে দিয়ে জন প্রতিনিধিদের যুক্ত করে সর্বদল বৈঠক করে করলে আরও ভাল হত বলে মন্তব্য করেন ফিরহাদ।

এর পালটা জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ”হাউসে এই বিল এনে আসন সংখ্যা নির্ধারণের জন্য আজ আমরা আলোচনায় অংশ নিলাম। এর পরের কাজ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের।” শুধু তাই নয়, দুটো সর্বদল বৈঠকও যে হবে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন এদিন মুখ্যমন্ত্রী।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande