রাজগঞ্জে তৃণমূলের বড় বিপর্যয়, সংখ্যাগরিষ্ঠতা সত্ত্বেও জোড়া পঞ্চায়েতে ক্ষমতা দখল বিজেপির
জলপাইগুড়ি, ১২ আগস্ট (হি.স.) : জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকে বড়সড় রাজনৈতিক ধাক্কার মুখে পড়ল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ব্লকের সুখানি এবং মাঝিয়ালি— এই দুই গ্রাম পঞ্চায়েতেরই প্রধান ও উপপ্রধান পদ ছিনিয়ে নিল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। বুধবার আনুষ্ঠান
রাজগঞ্জে তৃণমূলের বড় বিপর্যয়, সংখ্যাগরিষ্ঠতা সত্ত্বেও জোড়া পঞ্চায়েতে ক্ষমতা দখল বিজেপির


জলপাইগুড়ি, ১২ আগস্ট (হি.স.) : জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকে বড়সড় রাজনৈতিক ধাক্কার মুখে পড়ল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ব্লকের সুখানি এবং মাঝিয়ালি— এই দুই গ্রাম পঞ্চায়েতেরই প্রধান ও উপপ্রধান পদ ছিনিয়ে নিল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। বুধবার আনুষ্ঠানিক বোর্ড গঠনের পর দুই পঞ্চায়েতেই দায়িত্বভার সামলাচ্ছেন বিজেপির প্রার্থীরা।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সুখানি গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপির উত্তম রায় প্রধান এবং সবিতা বিশ্বাস উপপ্রধান নির্বাচিত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই পঞ্চায়েতের মোট ২১টি আসনের মধ্যে ১৮টিতেই জিতেছিল তৃণমূল কংগ্রেস এবং মাত্র ৩টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। তা সত্ত্বেও বুধবার বোর্ড গঠন প্রক্রিয়ায় জয়ের মুখ দেখে বিজেপি। বোর্ড গঠনের বিশেষ সভায় মোট ১৬ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে ১৩ জনই ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের।

অন্যদিকে, মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতেও ক্ষমতা হারিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এখানে মোট ১৯টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের ১২, বিজেপির ৬ এবং সিপিআইএমের ১ জন সদস্য ছিলেন। এ দিনের বোর্ড গঠন সভায় তৃণমূলের ১২ এবং বিজেপির ৬ জন প্রতিনিধি উপস্থিত থাকলেও শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে জয়ী হয়ে প্রধান ও উপপ্রধান উভয় পদই দখল করে বিজেপি। মাঝিয়ালিতে সুগ্রীব রায় প্রধান এবং রিঙ্কু ঘোড়ামি রায় উপপ্রধান নির্বাচিত হয়েছেন।

রাজনৈতিক মহল সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের জেরে গত জুন মাসে সুখানি ও মাঝিয়ালি— দুই গ্রাম পঞ্চায়েতেরই তৎকালীন তৃণমূল প্রধানেরা ইস্তফা দিয়েছিলেন। এর পর থেকেই দুই পঞ্চায়েতে নতুন করে বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করে জেলা প্রশাসন।

বুধবার বোর্ড গঠনের অন্তিমে দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের শীর্ষ পদই বিজেপির ঝুলিতে চলে যায়। স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও শাসকদল তৃণমূলের হাত থেকে দুটি পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধান পদ হাতছাড়া হওয়া নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অলিন্দে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande