‘তিরঙ্গা দেশের সম্মান, গৌরব ও মর্যাদার প্রতীক’: ড. রাজেন্দ্র পৈনসিয়া
মোরাদাবাদ, ১২ আগস্ট (হি.স.) : দেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযানের আওতায় বুধবার উত্তর প্রদেশের মোরাদাবাদ পুরনিগমের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য তিরঙ্গা যাত্রার আয়োজন করা হয়। ইম্পেরিয়াল তিরাহা থেকে কোম্পানি বাগ পর্যন্ত এই যাত্রার সূচনা
‘তিরঙ্গা দেশের সম্মান, গৌরব ও মর্যাদার প্রতীক’: ড. রাজেন্দ্র পৈনসিয়া


মোরাদাবাদ, ১২ আগস্ট (হি.স.) : দেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযানের আওতায় বুধবার উত্তর প্রদেশের মোরাদাবাদ পুরনিগমের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য তিরঙ্গা যাত্রার আয়োজন করা হয়। ইম্পেরিয়াল তিরাহা থেকে কোম্পানি বাগ পর্যন্ত এই যাত্রার সূচনা করেন জেলাশাসক ড. রাজেন্দ্র পৈনসিয়া এবং মেয়র বিনোদ আগরওয়াল। যাত্রাপথের বিভিন্ন জায়গায় পুষ্পবৃষ্টির মাধ্যমে তিরঙ্গা যাত্রাকে স্বাগত জানানো হয়।তিরঙ্গা যাত্রার সূচনায় জেলাশাসক ড. রাজেন্দ্র পৈনসিয়া বলেন, “তিরঙ্গা দেশের সম্মান, গৌরব ও মর্যাদার প্রতীক।” এটি শুধুমাত্র একটি জাতীয় পতাকা নয়, বরং দেশের ঐক্য, অখণ্ডতা, আত্মত্যাগ ও বীরত্বের প্রতীক বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ইম্পেরিয়াল তিরাহা থেকে শুরু হওয়া তিরঙ্গা যাত্রাটি বুধ বাজার, টাউন হল, তাড়িখানা চৌক, গুরহট্টি চৌরাস্তা, জৈন মন্দির এবং একতা দ্বার হয়ে কোম্পানি বাগে অবস্থিত শহিদ স্মারকে পৌঁছে শেষ হয়। বর্ণাঢ্য এই যাত্রায় বিভিন্ন স্কুলের পড়ুয়া, নাগরিক সুরক্ষার ওয়ার্ডেন, এনসিসি ও এনএসএস ক্যাডেট-সহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠন এবং ক্লাবের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে দেশাত্মবোধক আবহে যাত্রায় সামিল হন তাঁরা।মেয়র বিনোদ আগরওয়াল স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে সাধারণ মানুষকে নিজেদের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের জন্য উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের পরাধীনতা থেকে দেশ স্বাধীনতা লাভ করে। এই স্বাধীনতা অর্জনের জন্য হাজার হাজার মানুষ আত্মবলিদান দিয়েছেন। তাঁদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সুনন্দা দাস




 

 rajesh pande