দক্ষিণ এশিয়ান থ্রোবল চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতীয় দলের দুই সোনাজয়ীকে সংবর্ধনা দিলেন মন্ত্রী অর্জুন সিং
কলকাতা, ১৩ আগস্ট (হি.স.): পশ্চিমবঙ্গের শ্রম ও পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং বৃহস্পতিবার রাজ্যের দুই উদীয়মান থ্রোবল খেলোয়াড়কে বিশেষ সংবর্ধনা প্রদান করেছেন। উত্তর ২৪ পরগনার নিউ টাউনের বাসিন্দা আগ্নেয়ী বিশ্বাস এবং দক্ষিণ কলকাতার বেহালা-বড়িশার পামেলা
দুই সোনাজয়ীকে সংবর্ধনা দিলেন মন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের


কলকাতা, ১৩ আগস্ট (হি.স.): পশ্চিমবঙ্গের শ্রম ও পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং বৃহস্পতিবার রাজ্যের দুই উদীয়মান থ্রোবল খেলোয়াড়কে বিশেষ সংবর্ধনা প্রদান করেছেন। উত্তর ২৪ পরগনার নিউ টাউনের বাসিন্দা আগ্নেয়ী বিশ্বাস এবং দক্ষিণ কলকাতার বেহালা-বড়িশার পামেলা কুণ্ডু ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে ‘দ্বিতীয় দক্ষিণ এশিয়ান থ্রোবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এ সোনা জয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন।

উল্লেখ্য, এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাটি ২০২৬ সালের ১৭ ও ১৮ জুন ঝাড়খণ্ডের রাঁচির খেলগাঁও ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিযোগিতায় দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে ভারতীয় দল স্বর্ণপদক হাসিল করে। ভারতীয় দলের এই ঐতিহাসিক জয়ে পশ্চিমবঙ্গের এই দুই খেলোয়াড়ের অবদান ছিল অনবদ্য।

এর মধ্যে আগ্নেয়ী বিশ্বাসের সাফল্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। মাত্র ১৪ বছর ৬ মাস বয়সে তিনি ছিলেন ভারতীয় দলের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য। এত কম বয়সে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে সাফল্য আনা তাঁর ক্রীড়া জীবনের অন্যতম বড় গৌরব হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে মন্ত্রী অর্জুন সিং দুই কৃতী খেলোয়াড়কেই তাঁদের অভাবনীয় অর্জনের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তাঁদের কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা, নিষ্ঠা ও ক্রীড়াভাবনার ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের হয়ে অসাধারণ পারফর্ম করে এই দুই কন্যা সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের নাম উজ্জ্বল করেছেন।

মন্ত্রী দুই খেলোয়াড়ের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে আগামী দিনেও এই একই রকম নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সঙ্গে খেলাধুলা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শ্রম ও পরিবহন দফতরের পক্ষ থেকেও দুই খেলোয়াড়কে সম্মান জানানো হয় এবং তাঁদের আগামী ক্রীড়া জীবনের জন্য শুভকামনা জানানো হয়। দুই উদীয়মান তারকার এই আন্তর্জাতিক সাফল্যকে রাজ্যের উদীয়মান তরুণ ক্রীড়াবিদদের জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ী ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande