
কলকাতা, ১৪ আগস্ট (হি. স. ) : সুর বদলে গেল অনন্ত মহারাজের, নেতাজী মন্তব্যে দুঃখ প্রকাশ করলেন। তা সত্বেও নরম হলেন না নেটনাগরিকরা। সামাজিক মাধ্যমে অডিও-বিবৃতিপাঠে সংক্ষিপ্ত দুঃখ প্রকাশের পরেও শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টায় প্রতিক্রিয়া এসেছে ৯৮৭টি। তার প্রতিটিতেই অনন্ত মহারাজকে ব্যঙ্গ আর তীব্র ধিক্কার।
অমিত সাহা লিখেছেন, “আমি আগেই রেডি ছিলাম আপনার এই বক্তব্য শোনার জন্য।” তাপস শীল লিখেছেন, “মালটা রিডিং পড়তে পারে। আপনার ক্ষমা নাই। জয় হিন্দ।” রোমুলাস বিরাজ বোস লিখেছেন, “যেন অন্য কারওর script বার কতক rehearse করিয়ে ওনাকে পড়তে বসানো হয়েছে...; পড়া হয়ে গেলে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন।”
সুমন রায় লিখেছেন, “বাবারা মুচলেকা পাঠিয়েছে নাকি?” মিলন দাস লিখেছেন, “খুব ভালো কথা বলেছো বাবা। তোমাকে বাঙালিরা যেখানেই পাবেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু যেভাবে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জিকে ভালো বাসতেন ঠিক সেই ভাবেই আপনাকেও ভালোবাসবে।”
রতন সাহা লিখেছেন, “কারুর সাহায্য ছাড়া এই কথা গুলো একটা সাদা কাগজে ইনি যদি নির্ভুলভাবে লিখতে পারে, তবেই এনাকে ক্ষমা করা হবে..।” চিরঞ্জিত রায় লিখেছেন, “জল ঢোরা এতো তাড়াতাড়ি বদলে গেলো কী করে? প্রমীলা মোদক লিখেছেন, “মনে হয় কেউ শিখিয়ে নিয়ে এসেছে।” শাহিন রুবাই লিখেছেন, “ঠ্যালায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না।”
প্রসঙ্গত, নেতাজিকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্যের জেরে বুধবার সন্ধ্যায় অনন্ত মহারাজের ‘বঙ্গ বিভূষণ’ সম্মান কেড়ে নিয়েছে রাজ্য সরকার। নেতাজিকে অপমান করার শাস্তি, 'সম্মান' হারালেন বিজেপি সাংসদ অনন্ত। তৃণমূল জমানায় অনন্ত মহারাজকে দেওয়া হয়েছিল এই বঙ্গ বিভূষণ সম্মান। নেতাজি-বিতর্কে সেই সম্মান কেড়ে নিল বিজেপি সরকার। ২১ ফেব্রুয়ারি অনন্ত মহারাজকে বঙ্গ বিভূষণ সম্মান দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নেতাজিকে অসম্মান করায় এবার এই 'সম্মান' হারালেন বিজেপির সাংসদ।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত