কালীমন্দিরের পাশে ৮ ফুটের অজগর, কৌতূহলী মানুষের ভিড়
বাঁকুড়া, ১৪ আগস্ট (হি.স.): গ্রামের কালীমন্দিরের একেবারে পাশে বিশালাকার অজগর সাপের উপস্থিতিকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল পাঁচমুড়া সংলগ্ন আধকড়া গ্রামে। বৃহস্পতিবার মন্দিরের পাশে প্রায় ৮ ফুট লম্বা অজগরটি দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর ছড়িয়ে পড়তেই মন্
কালী মন্দিরের পাশে বিশাল অজগর-কৌতুহলী মানুষের ভীড়


বাঁকুড়া, ১৪ আগস্ট (হি.স.): গ্রামের কালীমন্দিরের একেবারে পাশে বিশালাকার অজগর সাপের উপস্থিতিকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল পাঁচমুড়া সংলগ্ন আধকড়া গ্রামে। বৃহস্পতিবার মন্দিরের পাশে প্রায় ৮ ফুট লম্বা অজগরটি দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর ছড়িয়ে পড়তেই মন্দির চত্বরে ভিড় জমে যায়। আতঙ্কের পাশাপাশি সাপটিকে ঘিরে তৈরি হয় ব্যাপক কৌতূহল। মোবাইলে ছবি তুলতেও দেখা যায় অনেককে।

স্থানীয়রা অবশ্য সাপটিকে বিরক্ত না করে বিষয়টি সাপ উদ্ধারকারী দলের সদস্যদের জানান। পরে উদ্ধারকারী দল এসে অজগরটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

জেলার বিভিন্ন গ্রাম ও লোকালয়ে অজগর, চন্দ্রবোড়া-সহ নানা ধরনের সাপ ঢুকে পড়ার ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে নজরে এসেছে। শুক্রবার এ বিষয়ে জেলার পরিবেশকর্মী গৌতম গঙ্গোপাধ্যায় জানান, গরম ও বর্ষার সময়ে সাপের লোকালয় বা চাষের জমিতে ঢুকে পড়ার অন্যতম কারণ আশ্রয় ও খাবারের সন্ধান। অতিরিক্ত গরমে ছায়া ও অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা জায়গার খোঁজে সাপ অনেক সময় বাড়িঘর বা চাষের জমিতে ঢুকে পড়ে। আবার বর্ষায় গর্তে জল ঢুকে যাওয়ায় সাপকে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে বেরোতে হয়।

খাবারের সন্ধানেও তারা বসতি এলাকায় চলে আসে। বিশেষত ইঁদুর সাপের অন্যতম প্রধান খাদ্য হওয়ায় চাষের জমি ও লোকালয়ে তাদের আনাগোনা বাড়তে পারে বলে জানান পরিবেশকর্মীরা।

এদিকে, গ্রামবাসীদের একাংশের বিশ্বাস, সামনেই মনসাপুজো। সেই কারণেই যেন ‘দেবীর দূত’ হয়ে অজগরটি কালীমন্দিরের পাশে হাজির হয়েছিল। সেই বিশ্বাস থেকেই সাপটিকে কেউ বিরক্ত করেননি। তবে পরিবেশকর্মীদের পরামর্শ, এমন পরিস্থিতিতে কুসংস্কারের বদলে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী দলকে খবর দেওয়াই উচিত।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোমনাথ বরাট




 

 rajesh pande