স্বাধীনতা সংগ্রামে আইনজীবীদের ভূমিকার অনুষ্ঠান-ঘোষণার বয়ানে প্রশ্ন
কলকাতা, ১৪ আগস্ট (হি. স. ) : বাঙালিদের একটা বড় অংশের দাবি, স্বাধীনতা সংগ্রামে আবাঙালিদের বিশেষ দেখা যায়নি। বিতর্কিত বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময় ঠাণ্ডা লড়াই প্রকাশ্যে এসেছে। সেটা না হওয়াই বাঞ্ছনীয়। সংগ্রামে কার অবদান বেশি, বা কার কম অনেক সময় তা পরিমা
স্বাধীনতা সংগ্রামে আইনজীবীদের ভূমিকার অনুষ্ঠান-ঘোষণার বয়ানে প্রশ্ন


কলকাতা, ১৪ আগস্ট (হি. স. ) :

বাঙালিদের একটা বড় অংশের দাবি, স্বাধীনতা সংগ্রামে আবাঙালিদের বিশেষ দেখা যায়নি। বিতর্কিত বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময় ঠাণ্ডা লড়াই প্রকাশ্যে এসেছে। সেটা না হওয়াই বাঞ্ছনীয়।

সংগ্রামে কার অবদান বেশি, বা কার কম অনেক সময় তা পরিমাপ করা শক্ত। শুক্রবার ফের এই প্রশ্ন দেখা দিল ইন্ডিয়ান লয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে।

‘দি ২৭ ইন্ডিয়ান হু ওয়ন ইন্ডিয়া ইটস ফ্রিডম’— শীর্ষক আলোচনাটি হবে শনিবার দুপুরে। ওই ঘোষণায় লেখা হয়েছে, ১৫ আগস্ট তারা একটি আলোচনাচক্রের আয়োজন করছে। ঘোষণায় নাম ও ছবি দেওয়া হয়েছে ২৭ জন ভারতীয় আইনজীবীর। এঁদের মধ্যে মাত্র একজন বাঙালি— দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ।

তবে, বিজ্ঞপ্তিতে ব্যবহৃত চিত্তরঞ্জনের ছবি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাঁর অতি পরিচিত একটি ছবিতে গোঁফ। চিত্তরঞ্জনের বৃহত্তর পরিবারের অন্যতম শরিক অধ্যাপক ডঃ বুড়োশিব দাশগুপ্ত এই প্রতিবেদকের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “ওনার এরকম ছবির কথা আমার জানা নেই”। বিজ্ঞপ্তিতে যে আটজন আলোচকের সচিত্র নাম দেওয়াহয়েছে, তাতেও বাঙালি না থাকায় প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, “কেবল রাজপথ বা জনসমাবেশেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং আদালত কক্ষ, আইনসভা এবং আইনজীবীদের বলিষ্ঠ ওকালতির মাধ্যমেও এই লড়াই পরিচালিত হয়েছিল—যাঁরা দেশের ভাগ্য গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। এই স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে, ‘ইন্ডিয়ান লয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন’ একটি বিশেষ প্যানেল আলোচনার আয়োজন করেছে, যেখানে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে ২৭ জন আইনজীবীর অসাধারণ অবদান নিয়ে আলোকপাত করা হবে। আইনজীবীরা না থাকলে ভারত কি আজ স্বাধীন হতে পারত? আইন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্ট খাতের নেতৃস্থানীয়দের নিয়ে আয়োজিত এই আলোচনায় আমাদের সাথে যোগ দিন। আসুন, ভারতের ইতিহাসের এই অনন্য অধ্যায়টি নতুন করে জেনে নিই। সেইসব মানুষকে শ্রদ্ধা জানাই, যাঁরা স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে আইনজ্ঞান, নেতৃত্ব, সাহস ও দৃঢ় সংকল্পকে কাজে লাগিয়েছিলেন।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande