মহাকাল দর্শনে বিহারের মন্ত্রী, গেরুয়া পোশাকে ও রুদ্রাক্ষের মালা নিয়ে আরাধনা
উজ্জ্বয়িনী, ২ আগস্ট (হি.স.) : মধ্যপ্রদেশের উজ্জ্বয়িনীর মহাকালেশ্বর মন্দিরে রবিবার ভোরে অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী ভস্ম আরতিতে অংশ নিলেন বিহার সরকারের খাদ্য ও ভোক্তা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী তথা জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর প্রবীণ নেতা অশোক চৌধুরী। গেরুয়া পোশাক
মহাকালেশ্বর মন্দিরে ভস্ম আরতিতে বিহারের মন্ত্রী অশোক চৌধুরী, দর্শনার্থী পরিষেবার প্রশংসা; গ্রাম কর ইস্যুতে বিরোধীদেরও আক্রমণ


উজ্জ্বয়িনী, ২ আগস্ট (হি.স.) : মধ্যপ্রদেশের উজ্জ্বয়িনীর মহাকালেশ্বর মন্দিরে রবিবার ভোরে অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী ভস্ম আরতিতে অংশ নিলেন বিহার সরকারের খাদ্য ও ভোক্তা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী তথা জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর প্রবীণ নেতা অশোক চৌধুরী। গেরুয়া পোশাক পরে, হাতে রুদ্রাক্ষের মালা নিয়ে তিনি মহাকালের আরাধনায় অংশ নেন। মন্দিরে দর্শন শেষে প্রশাসনের ব্যবস্থাপনা ও ভক্তদের জন্য গড়ে তোলা পরিকাঠামোর ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। পাশাপাশি বিহারের গ্রামীণ উন্নয়ন কর (গ্রাম ট্যাক্স) ইস্যুতে বিরোধীদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন।

ভস্ম আরতি শেষে মহাকাল মন্দির পরিচালন সমিতির উপ-প্রশাসক এস. এন. সোনি অশোক চৌধুরীকে সংবর্ধনা জানান। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, গত ২৫ বছর ধরে নিয়মিত মহাকালেশ্বরের দর্শনে আসছেন এবং প্রতিবারই মন্দিরের পরিবেশ, পরিকাঠামো ও পরিষেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করছেন।

তিনি বলেন, শ্রাবণ মাসে বিপুল সংখ্যক ভক্তের সমাগম হলেও মন্দির প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে। অনলাইন বুকিং, আধার-ভিত্তিক যাচাইকরণ এবং সুশৃঙ্খল দর্শন ব্যবস্থার ফলে ভক্তদের জন্য পুরো প্রক্রিয়াটি আরও সহজ, স্বচ্ছ ও সুবিধাজনক হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এদিন চলিত ভস্ম আরতিতেও দেশ-বিদেশ থেকে আসা হাজার হাজার ভক্ত মহাকালের দর্শনে অংশ নেন।

মহাকাল দর্শনের ফাঁকেই বিহারে গ্রামীণ উন্নয়ন কর নিয়ে চলা রাজনৈতিক বিতর্ক প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন জেডিইউ নেতা। বিরোধীদের সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, উন্নয়নমূলক কাজের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ও রাজস্বের ব্যবস্থা করতেই বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীদের কাছে জনগণের সামনে তোলার মতো বাস্তব কোনও ইস্যু নেই বলেই সরকারের প্রতিটি উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে অযথা রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande