বন্যার্তদের সহায়তায় মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৬০,৫০০ বাঙালি পরিষদের
হাফলং (অসম), ২০ আগস্ট (হি. স.): অসমের বিভিন্ন প্রান্তে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৬০,৫০০ অনুদান দিল বাঙালি পরিষদ অসমের ডিমা হাসাও জেলা কমিটি। বৃহস্পতিবার ডিমা হাসাওয়ের জেলা কমিশনার গায়ত্রী দেবীদাস
Flood relief


হাফলং (অসম), ২০ আগস্ট (হি. স.): অসমের বিভিন্ন প্রান্তে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৬০,৫০০ অনুদান দিল বাঙালি পরিষদ অসমের ডিমা হাসাও জেলা কমিটি। বৃহস্পতিবার ডিমা হাসাওয়ের জেলা কমিশনার গায়ত্রী দেবীদাস হাইলিঙ্গের হাতে সংগঠনের পক্ষ থেকে এই অর্থের চেক তুলে দেওয়া হয়। জেলা কমিশনার মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের পক্ষে অনুদানটি গ্রহণ করেন। অনুদান প্রদানের পর বাঙালি পরিষদের প্রতিনিধিদল জেলা কমিশনারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মত বিনিময় করে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগের প্রশংসা করে জেলা কমিশনার সংগঠনের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি, সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষের প্রতি সহমর্মিতা ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য বাঙালি পরিষদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান তিনি। মত বিনিময় কালে ডিমা হাসাও জেলার সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। প্রতিনিধিদলের বক্তব্য ধৈর্য সহকারে শোনেন জেলা কমিশনার। জেলার উন্নয়নে সকল সম্প্রদায়ের মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপরও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন জেলা কমিশনার। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ডিমা হাসাও আগামী দিনে আরও শান্তিপূর্ণ, সম্প্রীতিময় ও উন্নত জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। এদিকে, বাঙালি পরিষদ অসমের ডিমা হাসাও জেলা কমিটির সভাপতি রজত নাথ বলেন, দুঃসময়ে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরে সংগঠনের সদস্যরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট। তিনি বলেন, বন্যার্তদের সহায়তার জন্য এই অর্থ সংগ্রহে জেলা কমিটির সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছেন এবং তাঁদের সম্মিলিত সহযোগিতার ফলেই এই অনুদান প্রদান সম্ভব হয়েছে। রজত নাথ আরও বলেন, মানুষের দুর্দিনে তাঁদের পাশে দাঁড়ানো এবং বিপন্ন মানুষের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া বাঙালি পরিষদের সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ। প্রাকৃতিক দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সংগঠনটি তার মানবিক অঙ্গীকারেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। তিনি অনুদান সংগ্রহে সহযোগিতার জন্য জেলা কমিটির সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বাঙালি পরিষদ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব




 

 rajesh pande