কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ সজ্জন কুমারের মৃত্যু
নয়াদিল্লি, ২০ আগস্ট (হি.স.): কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ সজ্জন কুমারের বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয়েছে। বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। ১৯৮৪ সালের শিখবিরোধী দাঙ্গার তিনটি মামলার মধ্যে দু’টিতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে দিল্লির তিহাড় জেলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন তিনি। একটি
কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ সজ্জন কুমারের মৃত্যু


নয়াদিল্লি, ২০ আগস্ট (হি.স.): কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ সজ্জন কুমারের বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয়েছে। বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। ১৯৮৪ সালের শিখবিরোধী দাঙ্গার তিনটি মামলার মধ্যে দু’টিতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে দিল্লির তিহাড় জেলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন তিনি। একটি মামলায় অবশ্য তিনি বেকসুর খালাস পেয়েছিলেন।

সজ্জন কুমারের ঘনিষ্ঠ নেতাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, তিহাড় জেলে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

সজ্জন কুমারের জন্ম ১৯৪৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে। ১৯৭০-এর দশকে রাজনীতিতে তাঁর হাতেখড়ি। দিল্লি পুরসভার কাউন্সিলর হওয়ার পর তিনি প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন। ১৯৮০, ১৯৯১ এবং ২০০৪ সালে তিনি লোকসভার সাংসদ নির্বাচিত হন। সঞ্জয় গান্ধীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সজ্জন কুমার দিল্লির বাইরের বিস্তীর্ণ এলাকায় কংগ্রেসের অন্যতম প্রভাবশালী মুখ ছিলেন।

১৯৮৪ সালের শিখবিরোধী দাঙ্গায় তাঁর বিরুদ্ধে জনতাকে উসকানি দেওয়া এবং হত্যার অভিযোগ ওঠে। ২০১৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর দিল্লি হাইকোর্ট পালম কলোনি মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাউজ অ্যাভিনিউ আদালত সরস্বতী বিহার মামলাতেও তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। যদিও আরও কয়েকটি মামলায় তিনি বেকসুর খালাস পেয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হত্যার পর ১ নভেম্বর থেকে দিল্লি-সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শিখবিরোধী দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার ২১ বছর পর, ২০০৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সংসদে ক্ষমা চেয়ে বলেছিলেন, এই ঘটনায় তাঁর মাথা লজ্জায় নত হয়ে যায়।

১৯৮৪ সালের শিখবিরোধী দাঙ্গার একটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ২০১৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর কংগ্রেসের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সজ্জন কুমার।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande