“খেলবে দুর্গাপুর, জিতবে দুর্গাপুর” দুর্গাপুরে জাতীয় ক্রীড়া দিবস উদযাপনকে ঘিরে উৎসাহ বাড়ছে
দুর্গাপুর, ২০ আগস্ট (হি. স.): আগামী ২৯ আগষ্ট জাতীয় ক্রীড়া দিবস। খেলাধূলায় উৎসাহ দিতে উৎসবের সঙ্গে জাতীয় ক্রীড়া দিবস উদযাপন করতে চলেছে ''ন্যাশনাল স্পোর্টস ডে সেলিব্রেশন কমিটি দুর্গাপুর'। মহকুমার সমস্ত ক্রীড়া সংগঠন গুলো একত্রিত করে খেলোওয়াড় দের উৎ
“খেলবে দুর্গাপুর, জিতবে দুর্গাপুর” দুর্গাপুরে জাতীয় ক্রীড়া দিবস উদযাপনকে ঘিরে উৎসাহ বাড়ছে


দুর্গাপুর, ২০ আগস্ট (হি. স.): আগামী ২৯ আগষ্ট জাতীয় ক্রীড়া দিবস। খেলাধূলায় উৎসাহ দিতে উৎসবের সঙ্গে জাতীয় ক্রীড়া দিবস উদযাপন করতে চলেছে 'ন্যাশনাল স্পোর্টস ডে সেলিব্রেশন কমিটি দুর্গাপুর'। মহকুমার সমস্ত ক্রীড়া সংগঠন গুলো একত্রিত করে খেলোওয়াড় দের উৎসাহ প্রদান করবে এই কমিটি। তার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে মহকুমাজুড়ে। বৃহস্পতিবার দুর্গাপুর মাঙ্গলিকে আয়োজকরা একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন। এদিন উপস্থিত ছিলেন আয়োজক কার্যকর্তারা।এদিন কমিটির তরফে সীমা দত্ত চ্যাটার্জী বলেন, দুর্গাপুরের ক্রীড়া ঐতিহ্য, প্রতিভা ও সম্ভাবনাকে সামনে রেখে প্রতি বছর জাতীয় ক্রীড়া দিবসকে কেন্দ্র করে দুর্গাপুরে একটি বৃহত্তর ক্রীড়া মহোৎসব আয়োজন করা হয়।তিনি আরও বলেন, দুর্গাপুরে অনেক প্রতিভাবান খেলওয়াড় আছে। ছেলে মেয়েদের খেলাধূলা সাংস্কৃতি চর্চায় আগ্রহ বাড়াতে, অনুপ্রানিত করতে জাতীয় ক্রীড়া দিবস মহোৎসব আকারে পালন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আগামী ২২ আগস্ট জাতীয় ক্রীড়া দিবস উদযাপনকে সামনে রেখে স্পোর্ট র্যালি করা হবে। তাতে রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ডঃ ইন্দ্রনীল খাঁন থাকবেন। এছাড়াও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের পদকজয়ী খেলওয়াড়রা থাকবেন। দুর্গাপুর সিধু কানহু স্টেডিয়াম থেকে র্যালি শুরু হবে। স্পোর্টস কার, স্পোর্টস বাইক থাকবে। শহরের ভেতর এই র্যালি ঘুরবে। শেষ হবে বিধাননগর ক্লাব স্যান্টোস মাঠে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ, ভালোবাসা ও অংশগ্রহণের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে শহরের সর্বস্তরের মানুষের কাছে। তিনি আরও বলেন, আগামী ২৯ আগষ্ট সমস্ত খেলওয়াড়দের নিয়ে দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা হবে। সিধু কানহু স্টেডিয়াম থেকে প্রায় ৩-৪ হাজার খেলওয়াড় তাদের প্রতিভার প্রদর্শনী করে যাবে ভগৎ সিং স্টেডিয়ামে। তারপর ভগৎ সিং স্টেডিয়ামে ক্রীড়া মহোৎসব হবে। সেখানে ক্রীড়া প্রদর্শনীর ৪৫ টি স্টল থাকবে। বিভিন্ন খেলার খেলওয়াড়রা সেখানে প্রতিভা প্রর্দশনী করে দেখাবে। মহকুমার অ্যাথলেটিক্স, ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, ভলিবল, পাওয়ারলিফটিং, বডি বিল্ডিং, দাবা, খোকো, টেবিল টেনিস, ব্যাডমিন্টন, ক্যারাটে , কিক বক্সিং, যোগা, ট্যাগ অফ ওয়ার এবং অন্যান্য স্বীকৃত সংস্থা সহ সকল ক্রীড়া সংস্থাকে আহ্বান করা হয়েছে। ১০৫ টি ক্রীড়া সংগঠন অংশগ্রহণ করছে।সকল সংগঠনের ক্রীড়াবিদ খেলওয়াড়রা উপস্থিত থাকবেন। প্রায় ৫-৬ হাজার খেলওয়াড় অংশগ্রহন করবে। এছাড়াও মহকুমার ২০০ জন গত ৩ বছরের রাজ্যস্তরে সোনা জয়ী, জাতীয় স্তরে সোনা, রূপো জয়ী ও আন্তর্জাতিক স্তরে পদক জয়ীদের সম্বর্ধনা দেওয়া হবে। বিভিন্ন খেলার বরিষ্ঠ প্রশিক্ষকদের ও ক্রীড়াপ্রেমীদের সম্বর্ধনা দেওয়া হবে। ৪ বিভাগে পুরস্কারের ব্যাবস্থা থাকবে। উদ্দেশ্য, দুর্গাপুরের সর্বস্তরে খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি করা, শিশু ও তরুণ প্রজন্মকে মাঠমুখী করা, নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন, স্কুলকে একত্রিত করা। এটা শুধু একটি দিনের অনুষ্ঠান নয়। আমাদের লক্ষ্য দুর্গাপুরকে শুধু শিল্পনগরী নয়, আগামী দিনে ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্পোর্টস সিটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। আমাদের একটাই স্বপ্ন—খেলবে দুর্গাপুর, জিতবে দুর্গাপুর।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা




 

 rajesh pande