গোদাবরী-কাবেরী-গুন্ডার নদী সংযোগ প্রকল্প পুরোপুরি কার্যকরের দাবিকে স্বাগত কৃষকদের
চেন্নাই, ৯ আগস্ট (হি.স.): প্রস্তাবিত গোদাবরী-কাবেরী-গুন্ডার নদী সংযোগ প্রকল্প সম্পূর্ণভাবে কার্যকর করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয়ের আবেদনে আশার আলো দেখছেন দক্ষিণ তামিলনাড়ুর কৃষকরা। দক্ষিণাঞ্চলের
গোদাবরী-কাবেরী-গুন্ডার নদী সংযোগ প্রকল্প পুরোপুরি কার্যকরের দাবিকে স্বাগত কৃষকদের


চেন্নাই, ৯ আগস্ট (হি.স.): প্রস্তাবিত গোদাবরী-কাবেরী-গুন্ডার নদী সংযোগ প্রকল্প সম্পূর্ণভাবে কার্যকর করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয়ের আবেদনে আশার আলো দেখছেন দক্ষিণ তামিলনাড়ুর কৃষকরা। দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলিতে সেচ ও জলসংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে দাবি করেছে সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টস ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশন।

রবিবার সংগঠনের পদাধিকারী আর. রাম পান্ডিয়ান বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ দীর্ঘদিন ধরে নদী সংযোগ প্রকল্পের পরিধি কাবেরী, বৈগাই এবং গুন্ডার অববাহিকা পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসা কৃষকদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।

তিনি জানান, বিজয় ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছেন। একইসঙ্গে প্রকল্পটি মূল প্রস্তাব অনুযায়ী বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়ারও অনুরোধ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

ন্যাশনাল ওয়াটার ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি গোদাবরী, পেন্নার, পালার এবং ভেলার নদীকে যুক্ত করে একটি নদী সংযোগ প্রকল্পের প্রস্তাব দিয়েছে। তবে কৃষকদের বক্তব্য, বর্তমান প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে মূলত তামিলনাড়ুর উত্তরাংশের কিছু এলাকা উপকৃত হবে। কারণ প্রস্তাবিত সংযোগ কাবেরী পর্যন্ত পৌঁছনোর আগেই শেষ হয়ে যাবে। ফলে দক্ষিণ তামিলনাড়ুর জেলাগুলি এই প্রকল্প থেকে উল্লেখযোগ্য সুবিধা পাবে না।

মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রের কাছে আগের প্রস্তাবটি কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। সেই পরিকল্পনায় কাবেরী, বৈগাই এবং গুন্ডার নদীকে সংযোগ নেটওয়ার্কের আওতায় এনে গুন্ডার অববাহিকার সেচ ব্যবস্থায় জল পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল।

রাম পান্ডিয়ান বলেন, গোটা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পুদুকোট্টাই, রামনাথপুরম, শিবগঙ্গা, বিরুধুনগর এবং থুথুকুডি জেলার লক্ষাধিক একর কৃষিজমিতে স্থায়ী সেচের ব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারে।

তাঁর দাবি, বর্তমানে এই জেলাগুলির কৃষকরা খরার মতো পরিস্থিতি এবং ক্রমশ কমে আসা জলভাণ্ডারের সমস্যায় ভুগছেন। এর প্রভাব পড়ছে চাষাবাদ ও কৃষিনির্ভর জীবিকার উপরও।

জলসংকটের কারণে বেশ কিছু এলাকায় পানীয় জলের সমস্যাও তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি গবাদি পশুর জন্য পর্যাপ্ত জল জোগাড় করতেও সমস্যায় পড়ছেন কৃষকরা বলে জানান তিনি।

রাম পান্ডিয়ান বলেন, উচ্চাভিলাষী এই নদী সংযোগ প্রকল্পের পূর্ণ সুবিধা তামিলনাড়ুর কৃষকদের দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের দাবি দক্ষিণাঞ্চলের জলকষ্টে থাকা কৃষক সমাজের কাছে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande