শঙ্কর ঘোষের জনসংযোগ কর্মসূচিতে এসে বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ মহিলার
শিলিগুড়ি, ৯ আগস্ট (হি.স.): রবিবার মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের জনসংযোগ কর্মসূচিতে এসে এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ করলেন এক মহিলা| শিলিগুড়ি পুরনিগমের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর তথা বিজেপি নেতা নান্টু পালের বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্
শঙ্কর ঘোষের জনসংযোগ কর্মসূচিতে এসে বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ মহিলার


শিলিগুড়ি, ৯ আগস্ট (হি.স.): রবিবার মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের জনসংযোগ কর্মসূচিতে এসে এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ করলেন এক মহিলা| শিলিগুড়ি পুরনিগমের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর তথা বিজেপি নেতা নান্টু পালের বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ করেন ওই মহিলা| এর জেরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

জানা গেছে, ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের দেশবন্ধুপাড়া এলাকার বাসিন্দা দীপান্বিতা পাল শঙ্কর ঘোষের জনসংযোগ কর্মসূচিতে এসে মন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানান। তিনি অভিযোগ করেন, হিলকার্ট রোডের কাছে রজনী বাগান এলাকায় রয়েছে তাঁদের পারিবারিক জমি| জমির উত্তরাধিকারী ৭ জন| কিন্তু সেই জমিই জোর করে দখল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ১৯৯৯ সালে নান্টু পালের মায়ের সঙ্গে জমি সংক্রান্ত একটি চুক্তি হয়েছিল, কিন্তু জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়নি। এখন সেই পুরনো চুক্তিকে কেন্দ্র করে বিবাদ তৈরি করা হচ্ছে। দীপান্বিতা পাল আরও অভিযোগ করেন, তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে| এদিকে তিনি নিজে যখন পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে যান, উলটে তখন তাঁকে নানা প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। তিনি দাবি করেন, জমিটিতে থাকা গেটে লাগানো তালা ভেঙে নিজেদের আলাদা তালা লাগিয়ে দেন ওই বিজেপি নেতা।

মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি শুনে বলেন, শুধুমাত্র একপক্ষের কথার ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে আসা উচিত নয়। তিনি আশ্বাস দেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যদিও, সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপি নেতা নান্টু পাল। তিনি বলেন, তিনি কারওর জমি দখলের চেষ্টা করেননি এবং তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি দাবি করেন, বিতর্কিত জমিটি তাঁর মায়ের পৈতৃক সম্পত্তি ছিল এবং আগে থেকেই একটি চুক্তি রয়েছে। তিনি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ন্যায্য দাম দিয়ে জমিটি কিনতে চেয়েছিলেন, কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে এর কোনও সমাধান হয়নি। নান্টু পাল আরও জানান, তিনিই প্রথম থানায় ডায়েরি করেছিলেন এবং বিষয়টি বিধায়ক ও দলীয় নেতৃত্বকেও জানিয়েছেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ




 

 rajesh pande