মুখ্যমন্ত্রী স্বচ্ছতা পুরস্কার ঘিরে কসমোপলিটন ক্লাবের স্বচ্ছতা অভিযান
বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতনতা, আবর্জনা ‘সবুজ সেনা’র হাতে তুলে দেওয়ার আহ্বান
সচেতনতা কর্মসূচি


আগরতলা, ৯ আগস্ট (হি.স.) : প্রতিটি ওয়ার্ডকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বচ্ছ রাখার লক্ষ্যে আগরতলা পুর নিগমের উদ্যোগে চালু হয়েছে ‘মুখ্যমন্ত্রী স্বচ্ছতা পুরস্কার ২০২৬’। এই কর্মসূচিকে সামনে রেখে রাজধানী আগরতলায় বিভিন্ন ওয়ার্ডে ক্লাব, সামাজিক সংগঠন ও স্থানীয় নাগরিকদের উদ্যোগে শুরু হয়েছে একাধিক স্বচ্ছতা ও পরিবেশ সচেতনতা কর্মসূচি।

এরই অঙ্গ হিসেবে রবিবার আগরতলায় কসমোপলিটন ক্লাবের উদ্যোগে এলাকায় স্বচ্ছতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে ক্লাবের সদস্যরা এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে বাসিন্দাদের নিজেদের বাড়িঘর ও পার্শ্ববর্তী এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সচেতন করেন। পাশাপাশি বাড়ি থেকে উৎপন্ন আবর্জনা যথাস্থানে জমা করে তা ‘সবুজ সেনা’র হাতে তুলে দেওয়ার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

এদিনের কর্মসূচিতে ক্লাব সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বচ্ছতা সম্পর্কিত বিভিন্ন বার্তা সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করেন। আবর্জনা যত্রতত্র না ফেলে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে সংগ্রহ ও অপসারণের পাশাপাশি এলাকার পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন তাঁরা। বিশেষ করে বাড়ির বর্জ্য নিয়মিতভাবে সংগ্রহকারীদের হাতে তুলে দেওয়া এবং রাস্তা, নালা ও জনসাধারণের ব্যবহারের স্থানগুলিতে ময়লা না ফেলার জন্য নাগরিকদের সচেতন করা হয়।

কর্মসূচি প্রসঙ্গে বিশিষ্ট সমাজসেবী সমর রায় বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী স্বচ্ছতা পুরস্কার ২০২৬’কে সামনে রেখে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা এবং আগরতলা পুর নিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার শহরের প্রতিটি সামাজিক সংগঠন ও ক্লাবকে নিজ নিজ এলাকার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের সেই আহ্বানে সাড়া দিয়েই কসমোপলিটন ক্লাবের পক্ষ থেকে এই পরিবেশ ও স্বচ্ছতা সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শুধু সরকারি উদ্যোগে একটি শহরকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ রাখা সম্ভব নয়। এর জন্য সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। প্রত্যেক নাগরিক নিজের বাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখলে এবং নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করলে আগরতলা আরও সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে উঠবে।

এদিনের কর্মসূচিতে কসমোপলিটন ক্লাবের সদস্যদের পাশাপাশি এলাকার বহু বাসিন্দার উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। স্বচ্ছতা অভিযানকে কেন্দ্র করে এলাকায় নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা ও উৎসাহও লক্ষ্য করা যায়। ক্লাবের সদস্যরা আগামী দিনেও এই ধরনের জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande