দীর্ঘ কয়েক দশকের নদী পারাপারের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি, খানাকুলে রড-আয়রনের সেতুর উদ্বোধন
আরামবাগ , ৯ আগস্ট (হি.স.): দীর্ঘ কয়েক দশকের নদী পারাপারের দুর্ভোগ অবশেষে কাটল খানাকুলের ঠাকুরানিচক অঞ্চলের মানুষের। রবিবার পশ্চিম ঠাকুরানিচকের মিদ্দাপাড়া–চুয়ানপাড়া খেয়াঘাটে রড-আয়রন নির্মিত সাঁকোর উদ্বোধনকে ঘিরে এলাকায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়
খানাকুলের রড আয়রনের ব্রিজ উদ্বোধন


আরামবাগ , ৯ আগস্ট (হি.স.): দীর্ঘ কয়েক দশকের নদী পারাপারের দুর্ভোগ অবশেষে কাটল খানাকুলের ঠাকুরানিচক অঞ্চলের মানুষের।

রবিবার পশ্চিম ঠাকুরানিচকের মিদ্দাপাড়া–চুয়ানপাড়া খেয়াঘাটে রড-আয়রন নির্মিত সাঁকোর উদ্বোধনকে ঘিরে এলাকায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়।

এতদিন খেয়াঘাটের উপর নির্ভর করেই নদী পারাপার করতে হতো স্থানীয় বাসিন্দাদের। বর্ষাকাল-সহ বিভিন্ন সময়ে নদী পারাপার ছিল যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্ভোগের। নতুন সেতু চালু হওয়ায় সেই দীর্ঘদিনের সমস্যা অনেকটাই মিটবে বলে আশাবাদী এলাকার মানুষ।

স্থানীয়দের দাবি, এই সেতু শুধু পশ্চিম ঠাকুরানিচক এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি করবে না, এর সুফল পাবেন পার্শ্ববর্তী পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মানুষও। দুই এলাকার মধ্যে যাতায়াত আরও সহজ ও দ্রুত হবে। শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে দৈনন্দিন প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সেতু উদ্বোধনের সময় সাধারণ মানুষের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় খুশি এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, এই সেতু শুধুমাত্র একটি যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং দীর্ঘ কয়েক দশকের নদী পারাপারের যন্ত্রণা থেকে মুক্তির প্রতীক।

নতুন সেতুকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। তাঁদের প্রত্যাশা, আগামী দিনে এই যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করে এলাকার সার্বিক উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করা হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande