
খড়গপুর, ১৮ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক ফ্রিজ করা নিয়ে রাজ্য সরকার তথা গ্রাম পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ তীব্র কটাক্ষ করেছেন। তাঁর দাবি, কালীঘাটপন্থী তৃণমূল এবং ঋতব্রত শিবিরের মধ্যে দড়ি টানাটানির কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শুক্রবার খড়গপুরে প্রাতঃভ্রমণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে দিলীপবাবু বলেন, “জোড়াফুল হলো লুটের প্রতীক। টানাটানির চোটেই ঘাসফুল উপড়ে ফেলে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।”
শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল এবং ঋতব্রত শিবিরকে তিনটি বিকল্প নাম ও নির্বাচনী প্রতীক বেছে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তীব্র হয়েছে। এরই মাঝে ‘ঘাসের ওপর জোড়াফুল’ প্রতীককে ‘লুটের প্রতীক’ আখ্যা দিয়ে কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “আমরা আগেই বলেছিলাম এটা বন্ধ হওয়া উচিত। এটি লুটের প্রতীক।”
তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে চলমান দড়ি টানাটানি নিয়েও ব্যঙ্গ করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “টানাটানিতে এখন নির্বাচন কমিশন ঘাসফুলটাই উপড়ে ফেলে দিয়েছে।” এরপর কালীঘাটপন্থী তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, “অন্য প্রতীক নিয়ে লড়াই করে দেখুক, তবেই বোঝা যাবে কার কত দম।”
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত উল্লেখ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, “কমিশন যে সিদ্ধান্ত নেবে, তা সকলকেই মেনে নিতে হবে।” তৃণমূলের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রেখে তিনি আরও বলেন, “তৃণমূল এখন নির্মূল। আগামী দিনে তৃণমূলও চলে যাবে এবং ঘাসও চলে যাবে।”
কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তৃণমূলের এক মুখপাত্রকে পুলিশ তলব করা প্রসঙ্গেও প্রতিক্রিয়া জানান দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন যে, জননেতা ও জনপ্রতিনিধিদের কথাবার্তায় সংযম বজায় রাখা উচিত। দিলীপবাবুর কথায়, “একটা সীমা থাকা উচিত। নিজেদের মধ্যে এই ধরনের কথাবার্তা হলে ভালো বার্তা যায় না। তারা নিজেরাই নিজেদের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।”
হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি