ডিমা হাসাওয়ের সার্বিক উন্নয়নের রূপরেখা নিয়ে রাজ্যপালের মুখোমুখি অটোনমাস কাউন্সিলের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল
হাফলং (অসম), ৯ সেপ্টেম্বর (হি.স.): পাহাড়ি জেলা ডিমা হাসাওয়ের পরিকাঠামোগত রূপান্তর ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে গতি আনতে এবার অসমের রাজ্যপালের দ্বারস্থ হল ডিমা হাসাও অটোনমাস কাউন্সিল (DHAC)। বুধবার গুয়াহাটির লোক ভবনে অসমের রাজ্যপাল লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্
Governor Of Assam


হাফলং (অসম), ৯ সেপ্টেম্বর (হি.স.): পাহাড়ি জেলা ডিমা হাসাওয়ের পরিকাঠামোগত রূপান্তর ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে গতি আনতে এবার অসমের রাজ্যপালের দ্বারস্থ হল ডিমা হাসাও অটোনমাস কাউন্সিল (DHAC)। বুধবার গুয়াহাটির লোক ভবনে অসমের রাজ্যপাল লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্যের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকারে মিলিত হন কাউন্সিলের এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। বৈঠকে জেলার সার্বিক পরিকাঠামো সম্প্রসারণ, জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়।

প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন ডিমা হাসাও অটোনমাস কাউন্সিলের মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য (CEM) দেবোলাল গার্লোসা, কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মোহেত হোজাই এবং বিজেপির ডিমা হাসাও জেলা সভাপতি ধৃতি থাওসেন।

রুদ্ধদ্বার বৈঠকে পার্বত্য জেলার দূরবর্তী ও দুর্গম এলাকাগুলিতে সরকারি পরিষেবার সুফল সুনিশ্চিত করা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা তুলে ধরেন যে, ডিমা হাসাওয়ের অনন্য ভৌগোলিক অবস্থান ও সামাজিক বাস্তবতাকে মাথায় রেখে পরিকল্পিত রূপরেখা গ্রহণ করাই দীর্ঘমেয়াদি অগ্রগতির মূল চাবিকাঠি। স্বায়ত্তশাসিত প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও সুদৃঢ় করে উন্নয়নমূলক কর্মসূচির গতি বৃদ্ধির বিষয়েও বিস্তারিত মতামত আদান-প্রদান করা হয়।

রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, রাজভবনের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও প্রশাসনিক সহযোগিতায় ডিমা হাসাওয়ের সার্বিক উন্নয়নের গতি আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত ভিত্তি মজবুত করা এবং টেকসই বিকাশকে অগ্রাধিকার দিয়ে আগামী দিনে পরিষদ আরও সক্রিয় পদক্ষেপ নেবে বলে জানানো হয়েছে। পাহাড়ি জেলার দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজ্যপালের সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে অসমের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহল।

হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব




 

 rajesh pande