বিআরএস ছাড়লেন কে কবিতা, ইস্তফা দিলেন এমএলসি পদ থেকেও
হায়দরাবাদ, ৩ সেপ্টেম্বর (হি.স.): বাবার তৈরি দল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর এবার দলই ছাড়লেন কেসিআর-কন্যা কে কবিতা। দল থেকে বরখাস্তের একদিন পর বুধবার কে কবিতা বিআরএস (ভারত রাষ্ট্র সমিতি) দল এবং তাঁর এমএলসি পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। কে কবিতা বলেছেন, আমি বিআরএস
বিআরএস ছাড়লেন কে কবিতা, ইস্তফা দিলেন এমএলসি পদ থেকেও


হায়দরাবাদ, ৩ সেপ্টেম্বর (হি.স.): বাবার তৈরি দল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর এবার দলই ছাড়লেন কেসিআর-কন্যা কে কবিতা। দল থেকে বরখাস্তের একদিন পর বুধবার কে কবিতা বিআরএস (ভারত রাষ্ট্র সমিতি) দল এবং তাঁর এমএলসি পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। কে কবিতা বলেছেন, আমি বিআরএস থেকে পদত্যাগ করছি এবং কাউন্সিল স্পিকারের কাছে আমার এমএলসি পদত্যাগপত্র জমা দিচ্ছি।

হায়দরাবাদে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কবিতা বলেন, আমি আমার বাবাকে অনুরোধ করছি, যেন তিনি তাঁর চারপাশের দলীয় নেতাদের পরীক্ষা করেন। আমি সোজাসাপ্টা কথা বলেছি এবং তাকে আমার কথা বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করেছি। রেভন্ত রেড্ডি এবং হরিশ রাও বিমানে একসঙ্গে ভ্রমণ করার সময় আমাদের পরিবারকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে অভিযোগ; রেভন্ত রেড্ডির জবাব দেওয়া উচিত। রেভন্ত রেড্ডি কেবল আমার পরিবারের সদস্যদের, কেটিআর এবং কেসিআরের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন, কিন্তু হরিশ রাওয়ের বিরুদ্ধে নয়। যখন কালেশ্বরম প্রকল্প শুরু হয়েছিল, তখন হরিশ রাও সেচমন্ত্রী ছিলেন এবং রেভন্ত রেড্ডি তার বিরুদ্ধে কথা বলেননি। হরিশ রাও এবং সন্তোষ রাও আমাদের পরিবার এবং দলকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা করছেন বলে অভিযোগ। বিধানসভা নির্বাচনে কেসিআর এবং কেটিআরের বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য তিনি টাকা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ।

উল্লেখ্য, সোমবার বাবার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত নিয়ে দলের অন্দরেই ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছিলেন কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের মেয়ে কে কবিতা। তাঁর অভিযোগের তির ছিল প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তুতোভাই টি হরিশ রাওয়ের বিরুদ্ধে। এরপরেই মঙ্গলবার তাঁকে দল থেকে সাসপেন্ড করে বিআরএস। দলের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়। কলেশ্বরম প্রজেক্টে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে বিআরএস প্রতিষ্ঠাতা কেসিআরের বিরুদ্ধে। গত সপ্তাহে এই মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে তেলেঙ্গানার কংগ্রেস সরকার। তারপরেই হরিশ রাওকে কাঠগড়ায় তুলেছিলেন কবিতা।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌমিতা




 

 rajesh pande