ঝাড়গ্রামে দিলীপ ঘোষের ‘চায়ে পে চর্চা’, তোপ দাগলেন সুপ্রিম কোর্ট ইস্যুতেও
​ ঝাড়গ্রাম, ১২ জানুয়ারি (হি. স.) : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের নেতা-কর্মীদের মনোবল বাড়াতে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ছয়টি ভিন্ন স্থানে তিনি ‘চায়ে
ঝাড়গ্রামে দিলীপ ঘোষের ‘চায়ে পে চর্চা’


ঝাড়গ্রাম, ১২ জানুয়ারি (হি. স.) : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের নেতা-কর্মীদের মনোবল বাড়াতে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ছয়টি ভিন্ন স্থানে তিনি ‘চায়ে পে চর্চা’ বা চা-চক্রে যোগ দেন। এদিন তিনি তোপ দাগলেন সুপ্রিম কোর্ট ইস্যুতে।

​সুপ্রিম কোর্টে চলমান জোড়া মামলা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন, এখানে সবই গায়ের জোরে চলছে। এই রাজ্য সরকার সংবিধান বা আইন— কোনো কিছুই মানতে চাইছে না। সবকিছু গায়ের জোরে করার চেষ্টা হচ্ছে। এবার আদালতই ঠিক করবে শেষ পর্যন্ত কী হবে।

​সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর নথিপত্র ও ল্যাপটপ নিয়ে যাওয়া এবং তার প্রাপ্তি স্বীকার না পাওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ পাল্টা কটাক্ষ করে বলেন: ​মুখ্যমন্ত্রী যে সমস্ত নথিপত্র এবং ল্যাপটপ নিয়ে গেছেন, সেই রিসিভ তিনি কাকে দিয়েছেন? তিনি তো সবকিছু নিজের সঙ্গেই নিয়ে গেছেন। গায়ের জোরে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর ওঁর এই নিয়ে কথা বলার কোনো অধিকার নেই।

​তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন যে, মুখ্যমন্ত্রী নিজেকে দলের নেত্রী পরিচয় দিয়ে সেখানে গিয়েছিলেন, তাহলে তাঁর সঙ্গে কেন ডিজি বা সিপি -র মতো উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা ছিলেন? তাঁর মতে, এমন জায়গায় এই ধরনের আচরণ নজিরবিহীন।

​এদিন গোপীবল্লভপুরের মোট ছয়টি জায়গায় দিলীপ ঘোষ জনসংযোগ সারেন।জায়গাগুলি, ​বনপুরা, ​রোহিনী বাসস্ট্যান্ড,​গোয়ালমারা, ​সর্ডিহা, ​চুবিকা। ​প্রতিটি স্থানেই বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। চা-চক্রের মাধ্যমে মূলত স্থানীয় মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনা এবং আগামী নির্বাচনের জন্য সংগঠনকে চাঙ্গা করাই ছিল তাঁর এই সফরের মূল লক্ষ্য।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande