বিএসকে-র মাধ্যমে ২৫০ কোটির লেনদেন, রাজ্যজুড়ে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা পেল পূর্ব মেদিনীপুর
​পূর্ব মেদিনীপুর, ১২ জানুয়ারি ( হি. স.) : রাজ্য সরকারের ‘বাংলা সহায়তা কেন্দ্র’ (বি এস কে) -এর মাধ্যমে পরিষেবা প্রদান এবং আর্থিক লেনদেনের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে প্রথম স্থান অর্জন করল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। জেলা প্রশাসন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত
বিএসকে-র মাধ্যমে ২৫০ কোটির লেনদেন, রাজ্যজুড়ে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা পেল পূর্ব মেদিনীপুর


​পূর্ব মেদিনীপুর, ১২ জানুয়ারি ( হি. স.) : রাজ্য সরকারের ‘বাংলা সহায়তা কেন্দ্র’ (বি এস কে) -এর মাধ্যমে পরিষেবা প্রদান এবং আর্থিক লেনদেনের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে প্রথম স্থান অর্জন করল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। জেলা প্রশাসন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে এই জেলার বিএসকে কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।

​সাফল্যের খতিয়ান ও পরিসংখ্যন

​বিএসকে কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে হওয়া এই বিপুল পরিমাণ লেনদেনের সিংহভাগই এসেছে স্ট্যাম্প ডিউটি প্রদানের মাধ্যমে।

​ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ২৫টি ব্লক এবং ৫টি পুরসভায় বর্তমানে মোট ২২৭টি বাংলা সহায়তা কেন্দ্র চালু রয়েছে। শুধুমাত্র ডিসেম্বর মাসেই প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ এই কেন্দ্রগুলি থেকে পরিষেবা নিয়েছেন। ওই এক মাসে ২০ কোটি ২৩ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে জেলা প্রশাসনিক ভবনের কেন্দ্রটি থেকেই প্রায় ২ কোটি টাকার কাজ হয়েছে।

​২০২০ সালে সাধারণ মানুষের বাড়ির কাছে বিনামূল্যে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ শুরু করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে এই কেন্দ্রগুলি থেকে ২০০-র বেশি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা মিলছে, যার ফলে সাধারণ মানুষকে আর সরকারি দফতরে দফতরে ঘুরতে হচ্ছে না।

​এই সাফল্যে গর্বিত জেলাশাসক ইউনূস ঋষিন ইসমাইল সোমবার সংবাদমাধ্যমকে বলেন,

​বিএসকে কর্মীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং পরিকাঠামোগত উন্নতির ফলেই এই সাফল্য এসেছে। সাধারণ মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক সহজে সরকারি পরিষেবা পাচ্ছেন। আর্থিক লেনদেনে রাজ্যে প্রথম হওয়া আমাদের জেলার জন্য এক বড় প্রাপ্তি।

​পরিষেবার গুণমান বজায় রাখতে এবং লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন আগামী দিনেও তৎপর থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande