
মুম্বই, ১৬ জানুয়ারি (হি.স.): বুথ ফেরত সমীক্ষাতেই গেরুয়া ঝড়ের ইঙ্গিত মিলেছিল। শুক্রবার সকালে ফলপ্রকাশ শুরু হতেই বৃহন্মুম্বই পুরসভায় আসনে এগিয়ে যায় বিজেপির মহাজুটি। পুণে এবং নাগপুরেও এগিয়ে বিজেপি জোট। ২৯টি পুরসভার মধ্যে প্রায় ২০টিতে এগিয়ে মহাজুটি।
প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রের শাসকজোট ‘মহাজুটি’র এক শরিক তথা উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের এনসিপিকে এ বার বিজেপি-শিন্দেসেনা কোনও আসন না ছাড়়ায় তিনি আলাদা ভাবে ৩৭টি আসনে লড়েছেন। এদিকে, ২০২২ সালের জুনে শিবসেনার ভাঙনের পরে এই প্রথম বার মহারাষ্ট্রের বৃহন্নুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (বিএমসি)-র ভোট। এর আগে ২০১৭ সালে শেষ বার বিএমসি-র ভোট হয়েছিল। ২২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৮৪টিতে জিতে বৃহত্তম দল হয়েছিল উদ্ধবের নেতৃত্বাধীন অবিভক্ত শিবসেনা। ২০১৯ পর্যন্ত বিজেপির সমর্থনে পুরসভা চালালেও সে বছর বিধানসভা ভোটের পর এনডিএ ছেড়েছিলেন উদ্ধব। তার পর কংগ্রেস এবং এনসিপির সমর্থনে পুরসভা চালাচ্ছিল তাঁর দল। কিন্তু মেয়াদ ফুরোনোর পরে ২০২২ সালের মার্চ মাসে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছিল। এ বার মহারাষ্ট্রের পুরভোটে বিরোধী জোট মহাবিকাশ আঘাড়ীর (এমভিএ) কার্যত কোনও অস্তিত্বই নেই। তবে এই পুরভোটে সবচেয়ে বড় আলোচ্য বিষয় ১৭ বছর পরে ঠাকরে-ভাইদের একজোট হয়ে লড়াই। কিন্তু গণনার প্রবণতা বলছে তাতে বিফল হতে চলেছেন প্রয়াত বালাসাহেব ঠাকরের পুত্র ও ভ্রাতুষ্পুত্র।
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ