সর্বধর্মের প্রতি তাঁর ভক্তির প্রমাণ দেওয়ার চেষ্টা করলেন মুখ্যমন্ত্রী
শিলিগুড়ি, ১৬ জানুয়ারি (হি. স. ) : “বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম শিবমন্দির হবে এটি। ১৭.৪১ একর জমির উপরে করছি। মহাতীর্থে এক লক্ষ দর্শনার্থী আসতে পারবেন। মূল মন্দির ছাড়াও মহাদর্শনের জন্য বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি তৈরি করছি।” শুক্রবার মন্দিরের শিলান্যাস
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


শিলিগুড়ি, ১৬ জানুয়ারি (হি. স. ) : “বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম শিবমন্দির হবে এটি। ১৭.৪১ একর জমির উপরে করছি। মহাতীর্থে এক লক্ষ দর্শনার্থী আসতে পারবেন। মূল মন্দির ছাড়াও মহাদর্শনের জন্য বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি তৈরি করছি।” শুক্রবার মন্দিরের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, “মন্দির তৈরিতে ট্রাস্ট গঠন করে দিয়েছি। মূর্তিটির মোট উচ্চতা ২১৬ ফুট। ব্রোঞ্জের মূল মূর্তিটি ১০৮ ফুটের। সকলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন।”

তিনি বলেন, “বাংলাকে এক নম্বরে করব বলেছি, করেই ছাড়ব”। ভারতবর্ষের ১২টি জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপ থাকবে মন্দিরে। দু’টি প্রবেশপথ থাকবে। চার কোণে চার দেবতা।

সাংস্কৃতিক হল, কনভেনশন সেন্টার, বারোটি অভিষেক লিঙ্গ মন্দির থাকবে।”

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কালীঘাট মন্দিরেও স্কাইওয়াক করে দিয়েছি। দক্ষিণেশ্বরেও করে দিয়েছি। মন্দির ঢেলে সাজিয়ে দিয়েছে। ভগিনী নিবেদিতা দার্জিলিংয়ে যেখানে মারা গিয়েছেন ওই বাড়িটি আমরা রামকৃষ্ণ মিশনকে দিয়েছি। কলকাতায় যে বাড়িতে ভগিনী নিবেদিতা থাকতেন, ওই বাড়িটিও মিশনের হাতে তুলে দিয়েছি।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ঝাড়গ্রামের কনকদুর্গা মন্দির, তারকেশ্বর, তারাপীঠ, কঙ্কালীতলা, মাহেশের মন্দিরের সংস্কার করেছি। তেমনই আবার ফুরফুরা শরিফের উন্নয়নে অনেক কাজ করেছি।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande