মালদা থেকে তপ্ত বেলডাঙা নিয়ে তৃণমূলকে তোপ মোদীর
মালদা, ১৭ জানুয়ারি (হি.স.) : শনিবার মালদা থেকে দেশের প্রথম ‘বন্দে ভারত স্লিপার’ ট্রেনের (হাওড়া-কামাখ্যা) যাত্রা শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আনন্দের মাঝেও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল রাজ্যের সাম্প্রতিক উত্তাল
মালদা থেকে তপ্ত বেলডাঙা নিয়ে তৃণমূলকে তোপ মোদীর


মালদা, ১৭ জানুয়ারি (হি.স.) : শনিবার মালদা থেকে দেশের প্রথম ‘বন্দে ভারত স্লিপার’ ট্রেনের (হাওড়া-কামাখ্যা) যাত্রা শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আনন্দের মাঝেও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল রাজ্যের সাম্প্রতিক উত্তাল পরিস্থিতি। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় সাংবাদিক নিগ্রহ এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের মৃত্যু নিয়ে তিনি তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন।

​গত দুদিন ধরে বেলডাঙা রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে। ঘটনার মূলে রয়েছে ভিনরাজ্যে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের ওপর অত্যাচার।

​ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু এবং বিহারে আরেক শ্রমিকের ওপর নির্যাতনের অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। রাস্তা ও রেল অবরোধে স্তব্ধ হয়ে যায় জনজীবন। শুক্রবার এই বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে এক বেসরকারি চ্যানেলের মহিলা সাংবাদিক ও তাঁর চিত্রসাংবাদিক গণপ্রহারের শিকার হন। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে।

​বেলডাঙার ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে মোদী বলেন, একজন মহিলা সাংবাদিককে তৃণমূলের গুন্ডারা রাস্তায় ফেলে মেরেছে। বাংলায় বিজেপি না এলে এই তাণ্ডব থামবে না।

প্রধানমন্ত্রী বেলডাঙার অস্থিরতাকে অনুপ্রবেশের সমস্যার সঙ্গে তুলনা করে বলেন , ​মালদা-মুর্শিদাবাদ অঞ্চলে অনুপ্রবেশকারীরা পরিকল্পিতভাবে দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা করছে। ​তৃণমূল সরকার ভোটের রাজনীতির জন্য এই অনুপ্রবেশকারীদের মদত দিচ্ছে।​বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় অ্যাকশন নেওয়া হবে এবং তাঁদের দেশ থেকে বের করা হবে।

​প্রধানমন্ত্রীর বলেন, যাঁদের কাছে টাকা আছে, সেই উন্নত দেশগুলোও আজ অনুপ্রবেশকারীদের তাড়িয়ে দিচ্ছে। তাহলে ভারত কেন তাঁদের আশ্রয় দেবে? তৃণমূল এই অনুপ্রবেশকারীদের সাহায্য করছে কারণ তারা আপনাদের তোয়াক্কা করে না। বিজেপি এলে এই তাণ্ডব শেষ হবে, আপনাদের মুক্তি মিলবে।

​ প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী রবিবার সিঙ্গুরে আরও কিছু প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande