শিক্ষাক্ষেত্রে আধুনিকায়নে জোর মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহার
উদয়পুর (ত্রিপুরা), ২ জানুয়ারি (হি.স.) : আধুনিক শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলে ত্রিপুরার ছাত্রছাত্রীরা সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে পারে—এমন মন্তব্য করে শিক্ষাক্ষেত্রে আধুনিক পরিকাঠামো তৈরিতে সরকারের অঙ্গীকারের কথা পুনরায় উল্লেখ করলেন মুখ্যমন্
মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্যরা


উদয়পুর (ত্রিপুরা), ২ জানুয়ারি (হি.স.) : আধুনিক শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলে ত্রিপুরার ছাত্রছাত্রীরা সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে পারে—এমন মন্তব্য করে শিক্ষাক্ষেত্রে আধুনিক পরিকাঠামো তৈরিতে সরকারের অঙ্গীকারের কথা পুনরায় উল্লেখ করলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা। শুক্রবার উদয়পুরের ঐতিহ্যবাহী রমেশ ইংরেজি মাধ্যম উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চারদিনব্যাপী প্লাটিনাম জুবিলি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন তিনি।

অনুষ্ঠানের শুরুতে মুখ্যমন্ত্রীসহ অতিথিরা বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রমেশ চন্দ্র দত্ত এবং প্রথম প্রধান শিক্ষক প্রয়াত ধীরেন্দ্র চন্দ্র দত্তের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

উদ্বোধনী ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের বনেদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্যতম রমেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল। এই বিদ্যালয় থেকে পাশ করা বহু শিক্ষার্থী আজ চিকিৎসা, প্রকৌশল, বিজ্ঞান, সাহিত্য, রাজনীতি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বের সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত। তিনি জানান, ১৯৫১ সালের ২ জানুয়ারি রমেশ চন্দ্র দত্ত ও তাঁর পুত্র শিক্ষাবিদ বীরেন্দ্র চন্দ্র দত্তের উদ্যোগে বিদ্যালয়টির সূচনা হয়।

বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো উন্নয়নে রাজ্য সরকার ৮ কোটি ৫১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নতুন ভবন নির্মাণ এবং ৫ কোটি ৮৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি সিন্থেটিক টার্ফ ফুটবল মাঠ তৈরির অনুমোদন দিয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে বহুবোর্ড সমস্যার কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সিবিএসই’র অভিন্ন ক্যারিকুলাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাকাঠামো গঠনে সহায়ক।

তিনি স্মরণ করিয়ে বলেন, ১৯৭৬ সালে ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ গঠনের আগে রাজ্যে ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ড কার্যকর ছিল এবং বিশ্ববিদ্যালয় না থাকায় উচ্চশিক্ষার জন্য কলকাতার ওপর নির্ভরতা ছিল। বর্তমানে রাজ্যে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা শিক্ষাক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এনে দিয়েছে।

অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় জানান, রমেশ ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয় ৭৫ বছর ধরে শিক্ষা, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির আলোয় প্রজন্মকে পথ দেখিয়ে আসছে। তিনি প্লাটিনাম জুবিলি উৎসবের সাফল্য কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোমতী জিলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায়, বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, বিধায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার, গোমতী জেলার জেলাশাসক রিঙ্কু লাথের, পুলিশ সুপার ডাঃ কিরণ কুমার কে. প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক প্রদীপ চক্রবর্তী এবং সভাপতিত্ব করেন উদয়পুর পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন শীতল চন্দ্র মজুমদার।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande