রাজ্যের কৃষি দফতরের বড় সাফল্য, ৪টি নতুন প্রজাতির উচ্চফলনশীল ধান উদ্ভাবন
কলকাতা, ২০ জানুয়ারি (হি. স.) : রাজ্যের কৃষি দফতরের এক বড় সাফল্যের কথা মঙ্গলবার আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নিজের ''এক্স'' হ্যান্ডেলে এক বার্তায় তিনি লিখেছেন, “আমাদের কৃষি দফতর রাজ্যের আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপ
রাজ্যের কৃষি দফতরের বড় সাফল্য, ৪টি নতুন প্রজাতির উচ্চফলনশীল ধান উদ্ভাবন


কলকাতা, ২০ জানুয়ারি (হি. স.) : রাজ্যের কৃষি দফতরের এক বড় সাফল্যের কথা মঙ্গলবার আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নিজের 'এক্স' হ্যান্ডেলে এক বার্তায় তিনি লিখেছেন, “আমাদের কৃষি দফতর রাজ্যের আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপযোগী চারটি নতুন প্রজাতির উচ্চফলনশীল ধান উদ্ভাবন করেছে।”

​পুরুলিয়ার খরা প্রতিরোধ গবেষণা কেন্দ্র ও হুগলি জেলার চুঁচুড়ায় অবস্থিত ধান গবেষণা কেন্দ্রে দীর্ঘ কয়েক বছরের গবেষণার পর এই প্রজাতিগুলি তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। এই কাজের সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানী-সহ সকলকে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এই ৪টি নতুন ধানের ভ্যারাইটির মধ্যে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল অর্থাৎ পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ার মতো খরাপ্রবণ অঞ্চলের জন্য ‘সুভাষিণী’, ‘লছমন্তি’ ও ‘মুসাফির’ নামে তিনটি প্রজাতি উদ্ভাবন করা হয়েছে। এগুলি খরিফ মরসুমে হেক্টর প্রতি ৫২ থেকে ৫৫ কুইন্টাল পর্যন্ত ফলন দিতে সক্ষম।

​অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের বন্যাপ্রবণ এলাকার জন্য ‘ইরাবতী’ নামে একটি প্রজাতি উদ্ভাবন করা হয়েছে। এই প্রজাতির বিশেষত্ব হলো, এটি দীর্ঘক্ষণ জলমগ্ন অবস্থায় থাকলেও নষ্ট হয় না এবং ঝোড়ো হাওয়াতেও মাঠে হেলে পড়ে না।

​রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত কৃষকদের সুবিধার্থে গবেষণার মাধ্যমে মোট ২৫টি নতুন ফসলের প্রজাতি তৈরি করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৫টিই হলো ধানের প্রজাতি।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande