তৃণমূলের মিথ্যাচারকে এক্স বার্তায় কটাক্ষ সুকান্তর
কলকাতা, ৭ জানুয়ারি (হি. স.): বিজেপি-র দুই বুথ সভাপতি কাজের জন্য মহারাষ্ট্রে চলে গিয়েছেন বলে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ অস্বীকার করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি ডঃ সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, ওই দু’জনের কেউই কখনো ভারতীয় জনতা পার
সুকান্ত মজুমদার


কলকাতা, ৭ জানুয়ারি (হি. স.): বিজেপি-র দুই বুথ সভাপতি কাজের জন্য মহারাষ্ট্রে চলে গিয়েছেন বলে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ অস্বীকার করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি ডঃ সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, ওই দু’জনের কেউই কখনো ভারতীয় জনতা পার্টির বুথ সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন তৃণমূলের অভিযোগ ছিল, তাঁরা সুকান্তবাবুর সহযোগিতা চেয়ে পাননি। এই অভিযোগও অস্বীকার করেছেন তিনি।

৩০ সেকেন্ডের ভিডিয়ো-যুক্ত করে সুকান্তবাবু লিখেছেন, “সস্তা ‘স্টান্টবাজি’ এবং লাগাতার মিথ্যাচারে অভ্যস্ত এক মাতব্বর তৃণমূল নেতা গত কয়েকদিন ধরে প্রকাশ্যে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য প্রচার চালিয়ে চলেছেন। প্রতিটি ঘটনাই আমাদের নজরে রয়েছে। তবে প্রবাদ আছে, “অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী”। তিনি ও তাঁর দলের অশিক্ষিত, দুর্বিনীত অনুচররা যতই শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা করুন না কেন, সত্য কখনোই চাপা থাকে না।

কারণ, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বাসিন্দা গৌতম বর্মনের স্ত্রী নিজেই স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তিনি তাঁর সমস্যার বিষয় সম্পর্কে আমাকে জানিয়েছিলেন। তবে তিনি তাঁর বক্তব্যে একবারও উল্লেখ করেননি যে, নূন্যতম সহায়তার আশ্বাস না পেয়ে তাঁকে কাঁদতে কাঁদতে ফিরে যেতে হয়েছিল! আমি সেই সময়েই প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়টি তাঁকে জানিয়েছিলাম, এ কথাও সর্বসমক্ষে স্পষ্টভাবে তিনি জানিয়েছেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কাজের জন্য মহারাষ্ট্রে যাওয়া উল্লিখিত দু’জনের কেউই কখনো ভারতীয় জনতা পার্টির বুথ সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন না। সাংগঠনিক কাঠামো ও বুথ স্তরের রাজনীতির ন্যূনতম ধারণা না রেখেই সস্তা মিথ্যাচারে লিপ্ত হলে সাধারণত এমন ভ্রান্তি ও হাস্যকর পরিস্থিতিরই সৃষ্টি হয়।

প্রবাদেই আছে— অতি চালাকের গলায় দড়ি।”

এই এক্সবার্তা সুকান্তবাবু যুক্ত করেছেন এআইটিসি-র দলীয় এক্স হ্যান্ডলের সঙ্গে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande