হলদিয়ায় ৫০ শয্যার ট্রমা সেন্টার গঠনের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশ
হলদিয়া, ১৪ অক্টোবর (হি.স.) : শিল্পাঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত হলদিয়া এলাকায় একটি উন্নত ট্রমা সেন্টার গড়ে তোলার দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। এবার সেই দাবিকে বাস্তবায়িত করতে উদ্যোগী হলো রাজ্য সরকার। আগামী বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই নতুন এই ট্রমা সেন্টারটির আ
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হলদিয়া সফরের দৃশ্য


হলদিয়া, ১৪ অক্টোবর (হি.স.) :

শিল্পাঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত হলদিয়া এলাকায় একটি উন্নত ট্রমা সেন্টার গড়ে তোলার দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। এবার সেই দাবিকে বাস্তবায়িত করতে উদ্যোগী হলো রাজ্য সরকার। আগামী বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই নতুন এই ট্রমা সেন্টারটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন এবং জানান যে এই কেন্দ্রে প্রাথমিকভাবে ১৫টি বেডের জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা উপলব্ধ থাকবে।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি যখন হলদিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (HDA)-র চেয়ারম্যান ছিলেন, সেই সময় থেকেই এই অঞ্চলে একটি আপৎকালীন ট্রমা সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা জোরালোভাবে অনুভূত হয়েছিল। এই প্রকল্পের রূপায়ণে ইন্ডিয়ান অয়েল (IOCL) কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল (CSR) থেকে ৫ কোটি টাকা অনুদান হিসেবে প্রদান করা হয়েছে। এর পাশাপাশি হলদিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটির জমি এবং আনুষঙ্গিক পরিকাঠামো মিলিয়ে মোট ১৮ কোটি টাকা এই বৃহৎ প্রকল্পে বরাদ্দ করা হয়েছে।

পূর্ব মেদিনীপুরের এই ব্যস্ত শিল্পতালুকে বিভিন্ন ভারী কলকারখানা ও রাসায়নিক কারখানা থাকার কারণে যেকোনো মুহূর্তে অনভিপ্রেত দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থেকেই যায়। অথচ শ্রমিকদের কল্যাণে এই পুরো অঞ্চল বা তার নিকটবর্তী এলাকায় আপৎকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার মতো পর্যাপ্ত ব্যবস্থা এতদিন ছিল না। সেই অভাব দূর করতেই ইন্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষের আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি ন্যাশনাল হেলথ মিশন (NHM) কর্মসূচির আওতায় আরও ৫ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে। সবমিলিয়ে প্রায় ২৮ কোটি টাকার এই সুবৃহৎ প্রকল্পের কাজ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে চলেছে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এর বাস্তবায়ন সম্পূর্ণ হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই জনকল্যাণমুখী ঘোষণার পরই উপস্থিত দর্শকরা সাধুবাদ জানান এবং তাঁকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande