মঞ্চে পিতা-পুত্রের রাজনৈতিক দ্বৈরথ: হলদিয়ায় এক ফ্রেমে শিশির ও শুভেন্দু অধিকারী
​কলকাতা, ১৪ অক্টোবর (হি.স.) :হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সহযোগী সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে দেখা গেল এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক মুহূর্ত। বুধবার আয়োজিত ওই মূল মঞ্চের সূচনা লগ্নেই উপস্থিত হন এককালের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিশির অধিকারী। মুখ্যমন
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী হলদিয়াযর এক অনুষ্ঠানে


​কলকাতা, ১৪ অক্টোবর (হি.স.) :হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সহযোগী সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে দেখা গেল এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক মুহূর্ত। বুধবার আয়োজিত ওই মূল মঞ্চের সূচনা লগ্নেই উপস্থিত হন এককালের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিশির অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর পাশেই তাঁর আসন নির্ধারিত হয়, যা সমগ্র অনুষ্ঠানটির গাম্ভীর্য ও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। এদিনের অনুষ্ঠানে প্রায় ২২ মিনিটের দীর্ঘ বক্তব্যে নানা বিষয়ের পাশাপাশি নিজের পিতা তথা প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।​বক্তব্যের শুরুতে মুখ্যমন্ত্রী কিছুটা রসাত্মক ও শ্লেষাত্মক সুরেই বলেন, “আগে যদি জানতাম যে উনি (শিশির অধিকারী) আজ হলদিয়ায় এই অনুষ্ঠানে আসছেন, তবে তাঁকে আসতেই অর্থাৎ যোগদানে নিষেধ করতাম।” এরপর উপস্থিত জনতার উদ্দেশে সরাসরি পিতৃত্ব ও দায়িত্ববোধের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যদিও আমি তাঁর পুত্র বটে, তবুও পিতৃদেব যে অনুষ্ঠানে আসছেন তা আগে জানতে পারলে আমি অবশ্যই তাঁকে আটকাতাম।”​এরপর বর্ষীয়ান নেতার জেদের কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই বয়সেও তাঁর মনোবল ও উৎসাহ প্রশংসনীয়। তাঁর বয়স এখন প্রায় ৯০ বছর। এত বয়সেও জোর করেই তিনি যেভাবে চলে আসেন, তাতে তাঁকে শেষ পর্যন্ত আটকানো বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এভাবেই এক বর্ণময় পারিবারিক ও রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার আবহে মঞ্চে উপস্থিত আমজনতা প্রত্যক্ষ করল এক বিরল পিতা-পুত্রের রাজনৈতিক দ্বৈরথের সাক্ষী থাকার মুহূর্ত।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande