
নয়াদিল্লি, ২১ অক্টোবর (হি.স.): কর্তব্য পালন করতে গিয়ে প্রাণ দেওয়া পুলিশকর্মীদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পুলিশ স্মারক দিবস উপলক্ষে দিল্লির জাতীয় পুলিশ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি বলেন, এই স্মৃতিসৌধ দেশের পুলিশবাহিনীর সাহস, কর্তব্যনিষ্ঠা ও আত্মবলিদানের প্রতীক।
দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা থেকে শুরু করে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আয়োজন—বিভিন্ন ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিএপিএফ) ভূমিকার প্রশংসা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সীমান্তে নিরাপত্তার দায়িত্ব হোক কিংবা দেশের ভিতরে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বাহিনীর জওয়ানদের নিরলস দায়িত্ব পালনের কথা তুলে ধরেন তিনি।
অমিত শাহ বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোতায়েন সিএপিএফের কর্মীরা পরিবার থেকে দূরে থেকে দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচন, উৎসব, জনসমাবেশ কিংবা সীমান্ত পাহারা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁদের সতর্ক থাকতে হয়। দেশের গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে এই বাহিনীর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে অমিত শাহ দাবি করেন, উত্তর প্রদেশ ও বিহারের মতো রাজ্যে নির্বাচনী হিংসা নিয়ন্ত্রণে এলেও বাংলায় দীর্ঘদিন ধরে ভোটকে কেন্দ্র করে হিংসার ঘটনা ঘটেছে। তাঁর বক্তব্য, অতীতে রাজ্যে প্রতিটি নির্বাচনে হিংসার কারণে বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।
সিএপিএফের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, বাংলার বিধানসভা নির্বাচন একটিও প্রাণহানির ঘটনা ছাড়াই সম্পন্ন করতে বাহিনীর সদস্যরা উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছেন। তাঁর মতে, এই সাফল্য নির্বাচনে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।
অমিত শাহ আরও দাবি করেন, নির্বাচনী হিংসা থেকে দেশকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিএপিএফের সদস্যদের অবদানের জন্য তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য