বাইরন-কাণ্ডের ওপর সতর্ক নজর পুলিশের, সাবধানী মন্তব্য পুলিশকর্তার
মুর্শিদাবাদ, ৩ অক্টোবর (হি. স. ) : সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাসের অগ্নিদগ্ধ হওয়া নিয়ে এখনই মুখ খুলতে রাজি নয় পুলিশ। পুলিশের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ওই বিধায়ক নিজেই গায়ে আগুন ধরিয়েছিলেন। পরে বাড়িতেও আগুন লাগান। সাগরদিঘির বিধায়ক সম্পর্ক
বাইরন-কাণ্ডের ওপর সতর্ক নজর পুলিশের, সাবধানী মন্তব্য পুলিশকর্তার


মুর্শিদাবাদ, ৩ অক্টোবর (হি. স. ) : সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাসের অগ্নিদগ্ধ হওয়া নিয়ে এখনই মুখ খুলতে রাজি নয় পুলিশ।

পুলিশের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ওই

বিধায়ক নিজেই গায়ে আগুন ধরিয়েছিলেন। পরে বাড়িতেও আগুন লাগান।

সাগরদিঘির বিধায়ক সম্পর্কে একই মন্তব্য করেছেন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা লোকসভার প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরী৷

যদিও জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুপার সুরেন্দ্র সিং সাবধানী প্রতিক্রিয়া দিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’

পারিবারিক অশান্তির কারণেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে বাইরন নিজে গায়ে আগুন লাগিয়েছেন নাকি অন্য কেউ বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে, সেটাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

একটি সূত্রের দাবি, সম্পত্তি নিয়ে বেশ কিছুদিন থেকে বিশ্বাস পরিবারে অশান্তি চলছিল। তার জেরেই এই ঘটনা। এর নেপথ্যে রাজনৈতিক বা অন্য কোনও কারণ নেই।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে হওয়া একটি উপ-নির্বাচনে সাগরদিঘি থেকে বামেদের সমর্থনে কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হন বাইরন বিশ্বাস৷ কয়েকমাস পর তিনি তৃণমূলে যোগ দেন৷ ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে তিনি তৃণমূলের হয়েই জয়ী হন৷ বিধানসভা নির্বাচনের পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখে তৃণমূলের একটি অংশ বিদ্রোহ ঘোষণা করে। সেই দলে নাম লেখান বাইরনও।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande