


ভাদনগর ও আহমেদাবাদ, ৭ অক্টোবর (হি.স.): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনসেবায় ২৫ বছর পূর্তি ও জন্মদিন উপলক্ষে দেশব্যাপী আয়োজিত ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর অঙ্গ হিসেবে ‘বারাণসী থেকে ভাদনগর সেবা যাত্রা’ মহাসমারোহে সমাপ্ত হলো। বারাণসী থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ পদক্ষেপে অংশ নেন প্রায় ৫০০ জন তরুণ বাইকার। প্রধানমন্ত্রীর জন্মস্থান ভাদনগরে পৌঁছে তাঁরা ঐতিহাসিক ও প্রাচীন হাটকেশ্বর মহাদেব মন্দিরে পবিত্র গঙ্গাজল দিয়ে বিশেষ অভিষেক ও পুজো সম্পন্ন করেন।
ভাদনগরে আয়োজিত এই সেবা যাত্রার সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং গুজরাটের উপ-মুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংভি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজ্য থেকে অংশ নেওয়া বাইকার ও সেবা যাত্রীদের বিশিষ্ট অতিথিদের পক্ষ থেকে উষ্ণ সংবর্ধনা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ভাদনগরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “এই পবিত্র পুণ্যভূমিই দেশকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মতো একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনেতা উপহার দিয়েছে।” তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ‘নেশন ফার্স্ট’ এবং গরিব কল্যাণের অঙ্গীকার নিয়ে দেশজুড়ে উন্নয়ন ও সুশাসনের নবযুগের সূচনা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কৃষকদের কল্যাণ, গ্রামীণ উন্নয়ন, সড়ক ও রেল পরিকাঠামোর আধুনিকীকরণ, পিএম আবাস যোজনা, পিএম কিষাণ সম্মান নিধি এবং বিমান ক্ষেত্রে উড়ান প্রকল্পের মতো নানা যুগান্তকারী পদক্ষেপের সুফল আজ দেশের প্রতিটি কোণে স্বচ্ছতার সঙ্গে পৌঁছে যাচ্ছে।
২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তোলার সংকল্পে দেশবাসী আজ একাত্ম বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বারাণসী থেকে ভাদনগর পর্যন্ত বিস্তৃত এই সেবা যাত্রা উত্তর ও পশ্চিম ভারতকে কেবল ভৌগোলিকভাবেই নয়, বরং জাতীয় সংহতি, সামাজিক সম্প্রীতি এবং সাংস্কৃতিক চেতনার মেলবন্ধনে এক নতুন শক্তিতে বেঁধেছে।
হিন্দুস্থান সমাচার / harsh Shah