নেতিবাচক চেষ্টার বিরুদ্ধে উদ্বেগ, যৌথ খোলা চিঠি দেশের ৪২ প্রাক্তন বিচারপতির
নয়াদিল্লি, ৮ অক্টোবর (হি.স.) : মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও বিতর্কিত এসআইআর প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধী ‘ইন্ডি’ জোট ও ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র লাগাতার রাজপথের আন্দোলন এবং তোপের মাঝেই এবার মুখ খুললেন বিচারবিভাগের প্রবীণ ব্যক্তিত্বরা। ন
নেতিবাচক চেষ্টার বিরুদ্ধে উদ্বেগ, যৌথ খোলা চিঠি দেশের ৪২ প্রাক্তন বিচারপতির


নয়াদিল্লি, ৮ অক্টোবর (হি.স.) : মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও বিতর্কিত এসআইআর প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধী ‘ইন্ডি’ জোট ও ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র লাগাতার রাজপথের আন্দোলন এবং তোপের মাঝেই এবার মুখ খুললেন বিচারবিভাগের প্রবীণ ব্যক্তিত্বরা।

নির্বাচন কমিশন, বিচারবিভাগ এবং অন্যান্য সাংবিধানিক কাঠামোর ওপর লাগাতার আক্রমণ ও আস্থা ধ্বংসের চেষ্টার বিরুদ্ধে উদ্বেগ প্রকাশ করে এক যৌথ খোলা চিঠি লিখেছেন দেশের ৪২ জন প্রাক্তন বিচারপতি।

চিঠিতে অত্যন্ত কড়া ভাষায় সতর্ক করে বলা হয়েছে যে, কোনও প্রমাণ ছাড়া সাংবিধানিক সংস্থাকে বারবার চোর বা বিক্রি হয়ে যাওয়া বলে চিহ্নিত করা বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। তাঁদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি - গণতন্ত্রে ব্যালটের গুরুত্ব যখন কমে যায়, তখন রাজপথ সেই জায়গা দখল করে নেয় এবং বিশৃঙ্খলার সূচনা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা এবং বিচারপতি পঙ্কজ মিত্তল সহ দেশের বিভিন্ন হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিদের স্বাক্ষর করা এই চিঠিতে কংগ্রেস ও ককরোচ জনতা পার্টির নাম না করে বেশ কিছু তীব্র কটাক্ষ করা হয়েছে। বিচারপতিরা লিখেছেন, ভোটার তালিকায় 'ভোট চুরি'-র যত অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা কেবল সংবাদমাধ্যমেই সীমাবদ্ধ। যখন নির্বাচন কমিশন প্রমাণ চেয়ে পাঠায়, তখন কোনও প্রমাণ দেওয়া হয় না। একই ইভিএম-এ জয়ী হলে নীরবতা পালন করা হয়, আর পরাজয় এলেই পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থাকে 'কারচুপি' বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়। যে দল পাঁচ দশকেরও বেশি সময় দেশ শাসন করেছে, তারাও আজ পুরো সিস্টেম ভেস্তে গেছে বলে দাবি করছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande