দুর্গাপুর সহ সাত শহরে দেবী আবাহনের আয়োজন রাজ্যের
দুর্গাপুর, ৯ অক্টোবর (হি. স.):- রাত পোহালেই মহালয়া। দেবীপক্ষের সূচনা। রাজ্যজুড়েই পুজোর আমেজ। জেলায় জেলায় সনাতনি সংস্কৃতিতে দূর্গাপুজোর উন্মদনা শুরু হয়েছে। নতুন সরকারের প্রথম দূর্গাপুজো। আর তাই পুজোর আবহ ছড়িয়ে দিতে এবার উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার। দুর্গ
দুর্গাপুর সহ সাত শহরে দেবী আবাহনের আয়োজন রাজ্যের


দুর্গাপুর, ৯ অক্টোবর (হি. স.):- রাত পোহালেই মহালয়া। দেবীপক্ষের সূচনা। রাজ্যজুড়েই পুজোর আমেজ। জেলায় জেলায় সনাতনি সংস্কৃতিতে দূর্গাপুজোর উন্মদনা শুরু হয়েছে। নতুন সরকারের প্রথম দূর্গাপুজো। আর তাই পুজোর আবহ ছড়িয়ে দিতে এবার উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার। দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি সহ রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ সাতটি শহরে সরকারি উদ্যোগে দেবীর আবাহণ হবে 'মা আসছেন' নামে দু'দিনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দিয়ে। তার জন্য প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে তৎপরতা। মহালয়ার পরের দিন অর্থাৎ রবি ও সোমবার এই সাংস্কৃতিক কর্মসূচি হতে চলেছে।

উল্লেখ্য, রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের আমলে দুর্গাপুজো এবার। কার্নিভাল বন্ধ করে দেওয়ায় অনেকেই ভেবেছিলেন পুজোর আমেজ হয়তো কমবে। কার্নিভালের খামতিপূরণে মহলয়াতেই পুজোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে এনে মেগা আয়োজনের সূচনা করতে চলেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। এবার তা জেলায় জেলায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ি, কোচবিহার, শহর বহরমপুর। বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরেও এই উৎসবের আয়োজন হচ্ছে। একই ভাবে সৈকত শহর দীঘাতেও হবে 'মা আসছেন' অনুষ্ঠান। এই তালিকায় রয়েছে রাজ্যের স্টিল সিটি দুর্গাপুর। মধ্যবঙ্গ থেকে বেছে নেওয়া হয়েছে আমের শহর মালদা । সংস্কৃতি অনুষ্ঠান ছাড়াও বসবে নানা স্টল। এই অনুষ্ঠানকে আগমনীর আবাহনের রূপেই তুলে ধরা হচ্ছে। অনুষ্ঠানের দু'টি ভাগ। রাজ্যের প্রতি শহরেই এই অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে বৃহৎ সংস্কৃতিক মঞ্চ হবে। দ্বিতীয়ত, সাংস্কৃতিক মঞ্চের পাশে থাকবে বহু স্টল। সেখানে পাওয়া যাবে, শাড়ি, চুড়িদার থেকে শুরু করে পুজোয় ব্যবহার হওয়ার প্রসাধনী সামগ্রীর দোকান। মূলত এলাকার হস্তশিল্পীদের সামগ্রী বিক্রির সুযোগ করে দিতেই এই উদ্যোগ। দুর্গাপুরের এই অনুষ্ঠান হবে গান্ধীমোড় মেলা ময়দানে। প্রথম দিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্চ মাতাবেল পৌষালি। দ্বিতীয় দিন অনুষ্ঠান করবেন পৃথিবী ব্রান্ড ও সংগীত শিল্পী ময়ূরী সাহা। বলার অপেক্ষা রাখে না মূলত পুজোর গানই মঞ্চে পরিবেশিত হবে। এখানে ১৬টি স্টলের আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই বলেন, দূর্গাপুজো বাঙালির আবেগ। মহালয়ার পর থেকে পুজোর আমেজ শুরু হয়ে যায়। বাংলার সংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরতেই এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা




 

 rajesh pande