জি-২০ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং আন্তর্জাতিক স্তরে সাংস্কৃতিক কূটনীতি নিয়ে তথ্য প্রদান রাজ্যসভায়
নয়াদিল্লি, ১২ ফেব্রুয়ারি (হি.স.): কেন্দ্রীয় সরকার দেশের মূল্যবান সাংস্কৃতিক সম্পদ এবং ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ২০৩০ পরবর্তী সময়কালে উন্নয়নের এজেন্ডার আওতায় ‘সংস্কৃতিকে এককভাবে অগ্রাধিকার দিয়ে’ জি-২০ সাংস্কৃতিক কর্মী গোষ্ঠী এ
পার্লামেন্ট


নয়াদিল্লি, ১২ ফেব্রুয়ারি (হি.স.): কেন্দ্রীয় সরকার দেশের মূল্যবান সাংস্কৃতিক সম্পদ এবং ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ২০৩০ পরবর্তী সময়কালে উন্নয়নের এজেন্ডার আওতায় ‘সংস্কৃতিকে এককভাবে অগ্রাধিকার দিয়ে’ জি-২০ সাংস্কৃতিক কর্মী গোষ্ঠী একটি নথি প্রকাশ করেছে। ‘কাশী কালচার পাথওয়ে’ শীর্ষক এই নথিতে নতুন দিল্লির ঘোষণা অনুসারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভারতের সংস্কৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা জি-২০ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির প্রতিনিধিদের কাছে উপস্থাপিত করতে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক আন্তর্জাতিক মানে একগুচ্ছ সাংস্কৃতিক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর আওতায় ৪টি আন্তর্জাতিক ওয়েবিনারের আয়োজন করা হয়। খাজুরাহের সম্পদ, ভুবনেশ্বরের হস্তশিল্প এবং হাম্পির বয়নের সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য তুলে ধরতে প্রদর্শনীর আয়োজন এবং জি-২০ ডিজিটাল মিউজিয়ামের ও প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও জি-২০ আর্ট প্রজেক্ট, জি-২০ অ্যানথোলজি অফ পোয়েট্রি ও জি-২০ অরকেস্ট্রার আয়োজন করা হয়। নতুন দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে ২০২৫- এর ১১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর জি-২০ উদ্যোগের অঙ্গ হিসেবে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয় । এই সম্মেলনে ভারতের পাণ্ডুলিপিগুলির ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়।

২০২৩ সালে জি-২০ গোষ্ঠীর সভাপতির দায়িত্ব পালন করে ভারত। সেই সময় নতুন দিল্লির ভারত মণ্ডপম সহ বিভিন্ন ঐতিহ্যশালী স্থান ও স্মারকে নানা সাংস্কৃতিক কর্মসূচি পালিত হয়। সাংস্কৃতিক কূটনীতির এই উদ্যোগগুলির পর্যালোচনা করা হয়েছে। সেই সময় বিভিন্ন সংস্কৃতি বিনিময় কর্মসূচী, নানা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলির মূল্যায়ণ এবং দক্ষতা বিকাশের বিষয়গুলি বিবেচিত হয়। এইসব উদ্যোগে ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের জনসাধারণের মধ্যে আদানপ্রদানের সুযোগও তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রবিন্দুতে ভারতকে প্রতিষ্ঠিত করতে কেন্দ্রীয় সরকার ‘গ্লোবাল এনগেজমেন্ট স্কিম’- এর সূচনা করে। বিদেশে ভারতীয় দূতাবাসগুলিতে, দেশের সমৃদ্ধশালী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রচার চালানোই এই কর্মসূচীর মূল উদ্দেশ্য। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এই তথ্য জানিয়েছেন সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ




 

 rajesh pande