শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবন ১ ও ২-এর উদ্বোধন করবেন
নয়াদিল্লি, ১৩ ফেব্রুয়ারি (হি.স.): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রবার বেলা দেড়টায় সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবন ১ ও ২-এর উদ্বোধন করবেন। এরপর সন্ধ্যে ৬টায় সেবা তীর্থে এক অনুষ্ঠানে তিনি ভাষণ দেবেন। এই উদ্বোধন ভারতের প্রশাসনিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী


নয়াদিল্লি, ১৩ ফেব্রুয়ারি (হি.স.): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রবার বেলা দেড়টায় সেবা তীর্থ এবং কর্তব্য ভবন ১ ও ২-এর উদ্বোধন করবেন। এরপর সন্ধ্যে ৬টায় সেবা তীর্থে এক অনুষ্ঠানে তিনি ভাষণ দেবেন। এই উদ্বোধন ভারতের প্রশাসনিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সূচিত করছে। একটি আধুনিক, দক্ষ, সকলের জন্য দায়বদ্ধ নাগরিক কেন্দ্রিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী অঙ্গীকার এর মধ্যে দিয়ে প্রতিফলিত হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে সেন্ট্রাল ভিস্তা অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দফতর ও মন্ত্রকগুলি আলাদা আলাদা ভাবে পরিচালিত হত। সেগুলি পরিচালনার ক্ষেত্রে পুরনো পরিকাঠামো ব্যবহৃত হত। এর ফলে পরিচালনগত ক্ষেত্রে সমন্বয়ের অভাব যেমন বোঝা যায়, পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণের খরচও বাড়ত। নতুন বাড়িগুলিতে আধুনিক ব্যবস্থাপনা যেমন থাকবে পাশাপাশি এগুলি ভবিষ্যতের চাহিদাপূরণ করতে পারবে।

সেবা তীর্থে প্রধানমন্ত্রীর দফতর, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিবালয়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সচিবালয় থাকবে। অতীতে এগুলি আলাদা আলাদা জায়গায় ছিল। অর্থ, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, কর্পোরেট, শিক্ষা, সংস্কৃতি, আইন ও বিচার, তথ্য ও সম্প্রচার, কৃষি ও কৃষক কল্যাণ, সার ও রসায়ন এবং আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলি কর্তব্য ভবন ১ ও ২-এ নিয়ে আসা হবে। এই দুটি বাড়ি ডিজিটাল পদ্ধতিতে যুক্ত রয়েছে। এখানে জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময়ের ব্যবস্থাপনাও থাকছে। ফলে দক্ষভাবে প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনা, নাগরিককেন্দ্রিক বিভিন্ন উদ্যোগ যেমন বাস্তবায়িত হবে, পাশাপাশি কর্মীদের কল্যাণের বিষয়টিও বজায় থাকবে। এই ভবনগুলির নির্মাণে ফোর স্টার গৃহ সংক্রান্ত মান অনুসরণ করা হয়েছে। এই কমপ্লেক্সে পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানীর ব্যবহার ছাড়াও জল সংরক্ষণের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ছাড়াও এই বাড়িগুলিতে ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। এর ফলে পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। বাড়িগুলির নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি সামগ্রিক পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। ফলে আধিকারিক এবং আগত দর্শনার্থীদের জন্য একটি সুরক্ষিত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা যাবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ




 

 rajesh pande