সাসপেন্ড হলেও বদলানি আসন, শাসক দলের সারিতেই বসলেন হুমায়ুন কবীর
কলকাতা, ৩ ফেব্রুয়ারি (হি. স.) : তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পরে বিধানসভায় হুমায়ুন কবীরের আসন বদল করা হবে—এমন জল্পনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে। কিন্তু বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনেই স্পষ্ট হয়ে গেল, আপাতত সেই পথে হাঁটেনি বিধানসভা কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার
আগামীকাল থেকে আরম্ভ বিধানসভায় অধিবেশন


কলকাতা, ৩ ফেব্রুয়ারি (হি. স.) : তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পরে বিধানসভায় হুমায়ুন কবীরের আসন বদল করা হবে—এমন জল্পনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে। কিন্তু বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনেই স্পষ্ট হয়ে গেল, আপাতত সেই পথে হাঁটেনি বিধানসভা কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার অধিবেশন শুরু হলে দেখা যায়, হুমায়ুন কবীর আগের মতোই শাসক দলের বিধায়কদের মাঝেই বরাদ্দ আসনে গিয়ে বসেছেন।

​উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বর মাসে ভরতপুর কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ছয় বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়। তারপরেই তিনি ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’ নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন। এর ফলে বিধানসভার ভিতরে তাঁর বসার জায়গা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়। অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই সময় ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, ভবিষ্যতে তৃণমূল ও বিজেপির মাঝামাঝি বেঞ্চে কোনও ‘নিরপেক্ষ’ আসনে হুমায়ুনকে বসানো হতে পারে। যদিও বিধানসভা সচিবালয় সূত্রের খবর, এই বিষয়ে এদিন কোনও নতুন নির্দেশ ইস্যু করা হয়নি।

​তবে বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনে সেরকম কোনও পরিবর্তন চোখে পড়েনি। শাসক শিবিরের মাঝেই তাঁকে নিজ আসনে দেখা যায়। অধ্যক্ষ আগেই জানিয়েছিলেন যে, হুমায়ুন বিধায়ক পদে বহাল থাকবেন। তিনি যদি ইস্তফা দিতে চান এবং তা আইনসম্মত হয়, তবে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

​প্রসঙ্গত, হুমায়ুন কবীরের রাজনৈতিক জীবন বারবার পট পরিবর্তনের সাক্ষী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে তিনি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। রেজিনগরের বদলে দল তাঁকে ভরতপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করে। সেই নির্বাচনে কংগ্রেসের তৎকালীন বিধায়ক কমলেশ চট্টোপাধ্যায়কে হারিয়ে বিধানসভা সদস্য নির্বাচিত হন হুমায়ুন কবীর।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande